
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী জানিয়েছেন, সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি অফিসগুলোয় মোট শূন্য পদ ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি। আজ বুধবার জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের জনবল–সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে সর্বশেষ প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে বর্তমানে সরকারি চাকরিতে ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৯১ জন কর্মরত আছে। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণিতে কর্মরত কর্মচারীর সংখ্যা ১ লাখ ৯০ হাজার ৭৭৩ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে কর্মরত ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৬ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৮৩৫ জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ৪ লাখ ৪ হাজার ৫৫৭ এবং অন্যান্য শ্রেণিতে কর্মরত কর্মচারীর সংখ্যা ৭ হাজার ৯৮০।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, প্রথম শ্রেণিতে শূন্য পদ ৬৮ হাজার ৮৮৪টি, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি, তৃতীয় শ্রেণিতে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯টি, চতুর্থ শ্রেণিতে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫টি এবং অন্যান্য শ্রেণিতে শূন্য পদ ৮ হাজার ১৩৬টি।
সরকারি দলের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান জানান, জনগণকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে দায়ের করা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত সারা দেশে এ পর্যন্ত মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা বাকি রাজনৈতিক মামলাগুলোও যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান বলেন, কোনো ব্যক্তি আদালতের মাধ্যমে খালাস পেলে এবং নির্দোষ প্রমাণিত হলে তাকে মর্যাদার সঙ্গে এবং আইন অনুযায়ী আচরণ করা তার মৌলিক অধিকার।
ময়মনসিংহ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুল হাসানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, অতীতে অনেক শিক্ষক মামলার শিকার হয়েছেন, এমনকি ২০ বছর আগে মারা গেছেন, এমন ব্যক্তির বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে। এসব মামলার প্রকৃতি সম্পর্কে আমরা অবগত। যেখানে সম্ভব, আমরা মামলাগুলো প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছি।’