জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে

সরকারের শেষ সময়ে চুক্তি কেন, নিরাপত্তা উপদেষ্টা বললেন, ‘চলমান প্রক্রিয়ার অংশ’

মেয়াদের শেষ সময়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনাকাটার আলোচনা এবং কিছু ক্ষেত্রে চুক্তি করছে অন্তর্বর্তী সরকার। বিষয়টিকে চলমান প্রক্রিয়ার অংশ বলেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। আজ সোমবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করতে যান। বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বের হওয়ার সময় অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ মুহূর্তে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো নিয়ে তাঁর বক্তব্য জানতে চান সাংবাদিকেরা। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র বা চীন ও জাপানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে জানতে চাইলে খলিলুর রহমান বলেন, ‘এটা চলমান প্রক্রিয়া।’

পরবর্তী সরকার এগুলো এগিয়ে না নিলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতির কী হবে, সে প্রশ্নে খলিলুর রহমান বলেন, এটি অনুমাননির্ভর প্রশ্ন।

সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত করা হয়েছে। কোনো দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হন না—এমন সমালোচনার জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, দুনিয়ার সব দেশে বিমান নেই।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট বাংলাদেশের দায়িত্ব নেয় অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকারগুলো ছিল, রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কার, জুলাই হত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচন।

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ড্রোন কারখানা তৈরি নিয়ে চীনের সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে চুক্তি, পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনা, চীন থেকে জে-১০ সি যুদ্ধবিমান কেনা, ইউরোপীয় কনসোর্টিয়াম থেকে ইউরো ফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান কেনা, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সাবমেরিন, তুরস্ক থেকে টি-১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্ল্যাক হক মাল্টিরোল হেলিকপ্টার, ৬৫০ কোটি টাকায় যুদ্ধজাহাজ বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদের সক্ষমতা বাড়ানোর মতো কাজগুলো হাতে নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।