রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্যাম্পাসে আজ শনিবার সকালে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দেখা যায়নি। তদন্ত দলের কেউ ক্যাম্পাসে আসেননি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ফটকে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।
রাজধানীর ভাটারা থেকে এসেছেন মো. টিটু। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘এখানটায় বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে শুনেছি। সে জন্য আজকে দেখতে এসেছি। নিজের চোখে দেখার জন্যই কষ্ট করে এসেছি।’
গত সোমবার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনের ওপর বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। বিমানটি প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এ ঘটনায় মৃত মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫।
আজও সাংবাদিকদের বিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তারক্ষীরা বলছেন, কর্তৃপক্ষের নিষেধ আছে। সাংবাদিকদের ঢুকতে দেওয়া হবে না।
সরেজমিনে আজ সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে উৎসুক জনতার জটলা দেখা গেছে। অল্প অল্প করে তাদের ক্যাম্পাসের একটি প্রবেশপথ দিয়ে ঢুকিয়ে অন্য পথ দিয়ে বের করে দিচ্ছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তারক্ষীরা।
যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর থেকেই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে।
বিদ্যালয়ের ভেতরে যাওয়া কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভেতরে পুলিশের ১০–১২ জন সদস্য রয়েছেন। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলারক্ষার কাজ করছেন প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তারক্ষীরা।