২৪ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুল ইসলামকে ডিবির একটি সাদা গাড়িতে করে আদালতে আনা হয়েছিল। সেদিন তাঁর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছিল
২৪ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুল ইসলামকে ডিবির একটি সাদা গাড়িতে করে আদালতে আনা হয়েছিল। সেদিন তাঁর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছিল

রিমান্ড শেষে কারাগারে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার পেছনে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দ্বিতীয় দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের দ্বিতীয় দফার রিমান্ড শেষে গাজী নজরুল ইসলামকে আদালতের হেফাজতখানায় রাখা হয়। এরপর তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত তা মঞ্জুর করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের উল্টো দিকের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে গাজী নজরুল ইসলাম, মাকছুদা ইসলাম ও নিহত মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।

পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন ও মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সেদিন রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রিমান্ড শেষে মাকছুদা বেগমকে ২২ সেপ্টেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর নজরুল ইসলামকে চার দিন করে দুই দফায় আট দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

এই মামলার তৃতীয় আসামি ভুক্তভোগীর মামা ওবায়দুর রহমানকে ঢাকার বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি–২। এরপর তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।