
রাজধানীর ন্যাশনাল মেডিকেলের সামনে আজ সন্ধ্যার পরও ছাত্রদলের নেতা–কর্মীদের অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে ছাত্র শিবিরের নেতা–কর্মীদের দেখা যায়নি। সেখানে পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।
এর আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল, শিবির, ছাত্রশক্তির সংঘর্ষের ঘটনার জেরে ন্যাশনাল মেডিকেলের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে যাওয়া আহতদের মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে মেডিকেলের সামনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, এখন পরিস্থিতি শান্ত আছে, চিকিৎসাধীন যারা ছিলেন তারা অন্য হাসপাতালে চলে গেছেন। তবে কবি নজরুল কলেজ ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা অবস্থান করছে। পুলিশও সতর্ক অবস্থায় আছে।
সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হাসপাতালের সামনে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবস্থান করতে দেখা যায়। সেখানে পুলিশ সদস্যরাও আছেন। তবে ছাত্রশিবিরের নেতা–কর্মীদের কাউকে দেখা যায়নি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল, শিবির, ছাত্রশক্তির সংঘর্ষের ঘটনার জেরে ন্যাশনাল মেডিকেলের সামনে আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
সেখানে উভয় পক্ষের নেতা–কর্মীরা জড়ো হয়েছেন। বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের মহানগর দক্ষিণের নেতা–কর্মীদেরও সেখানে দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
ঢাকা কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরে ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। কয়েকজন আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসের ভেতরে পুলিশ থাকে না। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গেছে।
রাজধানীর বকশীবাজারে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার সামনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা–কর্মীদের সংঘর্ষ চলছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের সামনে দুই পক্ষে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীদের ইট–পাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল, শিবির, ছাত্রশক্তির সংঘর্ষের ঘটনার জেরে ন্যাশনাল মেডিকেলে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন শিবির ও ছাত্র শক্তির নেতাদের ওপর আবার হামলা করেছে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের মহানগর দক্ষিণের নেতাকর্মীরা।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিকেল পৌনে ৫টার দিকে তারা হাসপাতালে ঢোকে। হাসপাতালের বাইরে ও জরুরি বিভাগের চিকিৎসাধীন থাকা নেতাকর্মীদের মারধর করে। জরুরি বিভাগের ভেতর থেকে একজন বাইরে বের করে এনে মারধর করে।