আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

রাষ্ট্রপতির পদে থাকার আগে-পরে অভিযোগ থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, পদে থাকার সময় রাষ্ট্রপতি আইনের মুখোমুখি হবেন না। কিন্তু তার আগে-পরে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে সেগুলোর জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এ কথা বলেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, তাঁর এই জবাব সুনির্দিষ্টভাবে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিষয়ে নয়, এটি যেকোনো রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে।

সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না, এমন এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘দায়মুক্তির ব্যাপারটি নিয়ে একটু বিভ্রান্তি আছে। বাংলাদেশের একজন মানুষ (রাষ্ট্রপতি) তাঁর পদে থাকার সময়ে কোনো আইনের মুখোমুখি হবেন না। তিনি যখন পদে নেই। সেটা আগে-পরে যদি কোনো রকম মিসকন্ডাক্ট, সেটি এই রাষ্ট্রপতির (সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহা্বুদ্দিন) কথা বলছি না, যেকোনো রাষ্ট্রপতি...সেগুলোর জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরের মধ্যে শুরু করার বিষয়ে সরকারের যে অবস্থান আছে, সেটি এখনো বহাল আছে বলে জানান উপদেষ্টা। এ ছাড়া কক্সবাজারকে সিটি করপোরেশন করার প্রক্রিয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের সময়ে জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করা ৩২ জন যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে করা প্রশ্নের জবাবে ওই কারণেই তাঁদের অবসরে পাঠানো হয়েছে কি না, সেটি সরাসরি বলেননি উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘সরকার তেমন কিছু বলেনি। বলেছে কি?’

উপদেষ্টা বলেন, সরকারি চাকরি আইনে আছে, কারও চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হলে বাধ্যতামূলক তাঁকে অবসরে পাঠাতে পারে। কারণ দর্শানোরও প্রয়োজন নেই।

প্রধানমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে যাবেন কি না, সিদ্ধান্ত হয়নি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিকস সম্মেলনে যাবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত হয়নি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য নয়, পর্যবেক্ষক হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ফলে সরকারের পর্যায়ে সিদ্ধান্ত আসবে, প্রধানমন্ত্রী যাবেন কি না। গেলে অনেকের সঙ্গে বৈঠক হাওয়ার সুযোগ থাকে। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ নিয়ে প্রাথমিক কথাবার্তা শুরু হয়েছে বলেও তাঁর জানা নেই।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ।