জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে উদ্‌যাপিত হয় সরস্বতীপূজা। চারুকলা অনুষদের সামনে, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে উদ্‌যাপিত হয় সরস্বতীপূজা। চারুকলা অনুষদের সামনে, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ পূজামণ্ডপে সরস্বতীপূজা উদ্‌যাপন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে উদ্‌যাপিত হলো হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতীপূজা। শুক্রবার সকাল থেকেই অঞ্জলি, আরতি ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে পূজা শুরু হয়। পূজাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পাশাপাশি উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪টি বিভাগ, ২টি ইনস্টিটিউট, ১টি হলসহ মোট ৩৭টি পূজামণ্ডপে সরস্বতীপূজা উদ্‌যাপন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, দ্বিতীয় ফটক, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, কলা অনুষদ, একাত্তরের গণহত্যা ভাস্কর্য চত্বর, শহীদ সাজিদ ভবন, বিজ্ঞান অনুষদ ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ এলাকায় স্থাপিত পূজামণ্ডপগুলোতে সকাল থেকে পূজার আনুষ্ঠানিকতা চলে।

এই মণ্ডপ সাজানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের উদ্যোগে। ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা পূজামণ্ডপে জড়ো হতে থাকেন। শঙ্খধ্বনি, ধূপ-ধুনো ও ভক্তিমূলক সংগীতের মধ্য দিয়ে দেবী সরস্বতীর আরাধনা করা হয়। সাদা ও বাসন্তী রঙের পোশাকে নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।

প্রতিবছরের মতো এবারও চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা প্রতিমা নির্মাণের দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলা বিভাগের সামনে, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী তিয়াস নাথ বলেন, সরস্বতীপূজা হিন্দুধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব, যা জ্ঞান, বিদ্যা, সংগীত ও শিল্পকলার প্রতীক দেবী সরস্বতীর আরাধনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের কাছে এই পূজার গুরুত্ব বেশি, কারণ এটি বিদ্যা ও সৃজনশীলতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তিনি আরও বলেন, শুদ্ধতা ও প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে সরস্বতীপূজা শুধু ধর্মীয় আচারেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি শিক্ষাঙ্গনে জ্ঞানচর্চা, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির বার্তাও বহন করে।