
বাংলাদেশিদের জন্য হজ ও ওমরাহ সেবায় নতুন গতির সঞ্চারে বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সহযোগিতা জোরদারে সম্মত হয়েছে। আজ সোমবার সৌদি আরবের মদিনায় সৌদি হজ ও ওমরাহমন্ত্রী তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহর সঙ্গে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইনের (কায়কোবাদ) মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় এ বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।
আজ সন্ধ্যায় ধর্ম মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সৌদি আরবের স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় মদিনার কিং সালমান আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সৌদি হজ ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী বলেন, পবিত্র দুই মসজিদের খাদেম বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরব অসাধারণ অগ্রগতি সাধন করেছে। এ ছাড়া হজ ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার ও আধুনিকায়ন হয়েছে। এ জন্য সৌদি সরকারকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।
দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে ধর্মমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ। এ দুই দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা ও অভিন্ন ধর্মীয় বন্ধনে আবদ্ধ। বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বিদ্যমান সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং হজ-ওমরাহসহ ধর্মীয় ও পারস্পরিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ধর্মমন্ত্রী।
বৈঠকে ধর্মমন্ত্রী বাংলাদেশের হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের কল্যাণে একটি লিখিত প্রস্তাব সৌদি হজ ও ওমরাহমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।
এ সময় অন্যদের মধ্যে ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, সৌদিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন, সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি মিনিস্টার (আইসিডি) আল হাসান ইয়াহিয়া আল মানখারা, হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আয়াতুল ইসলাম, জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন, কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, তৃতীয় ওমরাহ ও ভিজিট ফোরামে যোগদানের জন্য ধর্মমন্ত্রী বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।