
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেছেন, শুধু শারীরিক শক্তি বা প্রথাগত পদ্ধতিতে পুলিশিং যথেষ্ট নয়। এখন প্রয়োজন বুদ্ধিমত্তা, বৈশ্বিক সচেতনতা ও প্রযুক্তিগত অভিযোজন সক্ষমতা।
সম্প্রতি পুলিশে যোগদানকারী ২৭, ২৮ ও ৪৩তম বিসিএসের পুলিশ ক্যাডারের ৬৭ জন এএসপি প্রবেশনারের উদ্দেশে আজ মঙ্গলবার সকালে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পুলিশ সদর দপ্তরের হল অব ইন্টেগ্রিটিতে এই আয়োজন ছিল।
এএসপি প্রবেশনারদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আইজিপি বলেন, এই মুহূর্তটি তাঁদের জন্য কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি তাঁদের ন্যায্য অবস্থানের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিজয় তাঁদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার দ্বার খুলে দিয়েছে। তাঁরা বৈধ অধিকার পুনরুদ্ধার করেছেন। তিনি আরও বলেন, এএসপি প্রবেশনারদের প্রত্যেকেরই রয়েছে পূর্বতন কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁদের শক্তি হিসেবে কাজ করবে এবং পেশাগত দিকনির্দেশনা দেবে। বাংলাদেশ পুলিশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে তাঁদের সততা ও পেশাদারত্ব ডিজিটাল পরিসরেও বিস্তৃত হতে হবে।
সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা ও বিধিবিধানের প্রতি কঠোর আনুগত্য বজায় রেখে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য এএসপি প্রবেশনারদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
এএসপি প্রবেশনারদের মধ্যে ২৭তম ব্যাচের ৬০ জন, ২৮তম ব্যাচের ১ জন এবং ৪৩তম ব্যাচের ৬ জন কর্মকর্তা রয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, নির্বাচনে বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখতে সক্ষম হবে। বাংলাদেশ পুলিশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মনোবল চাঙা করা ও জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (অর্থ) মো. আকরাম হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজি (লজিস্টিকস) মুসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং অতিরিক্ত আইজি (ডেভেলপমেন্ট) সরদার নূরুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।