পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সম্পর্ক অনুকূল জায়গায় পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ভারতের সঙ্গে পারস্পরিকভাবে ‘অনুকূল একটি জায়গায় পৌঁছানোর’ পরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশটিতে সফরের সময় ও তারিখ নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। এসব চ্যালেঞ্জ সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে অতিক্রম করব। আমরা আশাবাদী, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারব।’

আজ মঙ্গলবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে এটা প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ—উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, খুব ভালো, আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

তারেক রহমান এ বছরের নভেম্বরে ভারত সফরে যেতে পারেন, এমন গুঞ্জন সম্পর্কে সাংবাদিকেরা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘গুঞ্জন মানে গুঞ্জনই। গুঞ্জন নিয়ে আমি কথা বলি না। আমি কথা বলি রিয়েলিটি নিয়ে। রিয়েলিটি হচ্ছে, আজ আমাদের মধ্যে ভালো বৈঠক হয়েছে।’

ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুব শিগগির ইতিবাচক ফলাফলের প্রত্যাশার কথাও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতের সম্ভাবনা নিয়ে আমাদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে।’

এর আগে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে কথা বলেন দীনেশ ত্রিবেদীও। এ বিষয়ে তিনি বলেন, এটা নিয়ে তাড়াহুড়া নেই। যখন সময় হবে, তখন নিশ্চয়ই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যাবেন।