এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার
এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার

শুল্ক কমায় কমল এলপিজি সিলিন্ডারের দাম

ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতি কেজিতে ৪ টাকা ২১ পয়সা বাড়ানো হয়। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। এরই মধ্যে এলপিজি আমদানিতে শুল্ক কমিয়েছে সরকার। এতে এখন ১২ কেজিতে দাম কমেছে ১৫ টাকা।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানানো হয়।

বিইআরসি বলছে, এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১১১ টাকা ৭৯ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা। ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে।

সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে এলপিজির সরবরাহ–সংকট চলছে। প্রতি সিলিন্ডারে এখন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন বিক্রেতারা।

সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৬১ টাকা ৮৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।

এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।