
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে নিজের কক্ষে ধুমপান করতে দেখেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ওই চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা আকস্মিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সকাল ৯টা ১০ মিনিটে পরিদর্শন শুরু করে বেলা ১টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের কক্ষে যান। সেখানে তাঁকে ধূমপান করতে দেখেন। পাশাপাশি কক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশও প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের চেয়ারম্যানকে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে ওই চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে যান।
এ ছাড়া ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ, ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়, সরকারি বাংলা কলেজ, পাইকপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার, কলাবাগান স্টাফ কোয়ার্টার ও আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার পরিদর্শন করেন তিনি। মিরপুর-১০ নম্বরে হকারমুক্ত ফুটপাতও ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন স্থানের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতাব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের সময় দেন তিনি। অন্যদিকে আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে দুই সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়।
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।