
টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতে সর্বশেষ উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ও পণ্য প্রদর্শনে ‘কাস্টমার সলিউশন ইনোভেশন অ্যান্ড ইন্টিগ্রেশন এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার’ (সিএসআইসি) নামে একটি গবেষণাগার চালু করেছে চীনের বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। ঢাকার গুলশানে গতকাল বৃহস্পতিবার ‘হুয়াওয়ে বাংলাদেশ সিএসআইসি সেন্টার’ নামের এ গবেষণাগার ও প্রদর্শনী কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
কেন্দ্রটি উদ্বোধনের পর বিশ্বের কয়েকটি দেশে হুয়াওয়েতে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং টেলিযোগাযোগভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলেন তারানা হালিম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকার চীনা দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর লিঙ্গুয়ান জুন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ক্লাউড প্রযুক্তির মাধ্যমে সাজানো সিএসআইসিতে থাকছে হুয়াওয়ের বৈশ্বিক বিভিন্ন গবেষণা ফলাফলের তথ্য। আধুনিক টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো স্থাপনে হুয়াওয়ের স্বীকৃত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ধারণা আদান-প্রদানের সুযোগ থাকবে সিএসআইসিতে। দর্শনার্থীরা সিএসআইসিতে এসে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক জ্ঞানচর্চা, ধারণা আদান-প্রদান ও প্রযুক্তিগত পদ্ধতি উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয়ে জানতে পারবেন। এ ছাড়া নিরাপদ নগরায়ণ, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), হুয়াওয়ের পি নাইন, মেট এইটসহ সর্বশেষ মডেলের স্মার্টফোন ও এন্টারপ্রাইজ বিজনেস সমাধানের অভিজ্ঞতা নেওয়া যাবে সিএসআইসিতে। ঢাকাসহ বর্তমানে সারা বিশ্বের বিভিন্ন শহরে হুয়াওয়ের এমন ২০টি গবেষণাগার চালু আছে।
হুয়াওয়ে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ঝাও হাওফু বলেন, বাংলাদেশের আইসিটি বাজার ও ডিজিটাল অর্থনীতি হুয়াওয়ের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যক্তিকে সহায়তা করবে সিএসআইসি।
তারানা হালিম বলেন, হুয়াওয়ের এই সিএসআইসি সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এ উদ্যোগ চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।