প্রতি ভরি ৪৪,৫২১ টাকা

সোনার দাম কমেছে

ভরিপ্রতি এক হাজার ২০১ টাকা পর্যন্ত কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
ভরিপ্রতি এক হাজার ২০১ টাকা পর্যন্ত কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

আন্তর্জাতিক বাজারে দর হ্রাসের কারণে দেশের বাজারেও বিভিন্ন ধরনের সোনার দাম ভরিপ্রতি এক হাজার ২০১ টাকা পর্যন্ত কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। আজ শুক্রবার থেকে সোনার নতুন দর সারা দেশে কার্যকর হবে।
নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট সোনা ৪৪ হাজার ৫২১ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪২ হাজার ৪২২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ৩৫ হাজার ৭৭৩ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির সোনার দর ২৪ হাজার ৮৬ টাকা ভরি। আর প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট (ক্যাডমিয়াম) রুপার দাম এক হাজার ৪৯ টাকা।
গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনা ৪৫ হাজার ৭২২, ২১ ক্যারেট ৪৩ হাজার ৬২৩ এবং ১৮ ক্যারেট ৩৬ হাজার ৯৭৪ টাকায় বিক্রি হয়। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ছিল ২৫ হাজার ৭৭ এবং রুপার ভরি এক হাজার ১০৮ টাকা।
আজ থেকে নতুন দর কার্যকর হওয়ায় প্রতি ভরি ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটে এক হাজার ২০১ টাকা, সনাতন পদ্ধতির সোনার দরে ভরিতে ৯৯১ টাকা কমছে। আর রুপার দর কমেছে ভরিতে ৫৯ টাকা।
অলংকার ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ, ২১ ক্যারেটে ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশ, ১৮ ক্যারেটে ৭৫ শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা থাকে। সনাতন পদ্ধতির সোনা পুরোনো স্বর্ণালংকার গলিয়ে তৈরি করা হয়। এ ক্ষেত্রে কত শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা পাওয়া যাবে সে বিষয়ে কোনো মানদণ্ড নেই।
সোনার দাম বৃদ্ধি-হ্রাসের সিদ্ধান্তটি বরাবরের মতো করে আসছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি। জানতে চাইলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে দর হ্রাস ও ভারতের বাজারের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্যই দেশের বাজারে সোনার দাম কমানো হয়েছে। দেশের অনেকেরই ভারত থেকে স্বর্ণালংকার কেনার একটি প্রবণতা থাকে। এই ক্রেতাদের ভারতে যেতে নিরুৎসাহিত করতেই আমরা সব সময় সোনার দাম পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে সমন্বয় রাখার চেষ্টা করি।’
এনামুল হক আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম গত কিছুদিনে ৫০-৬০ ডলার কমেছে। বিশ্ববাজারে এখন প্রতি আউন্স (২.৪৩ ভরি) সোনার দর এক হাজার ১৩৬ মার্কিন ডলার।’ তাহলে দাম তো আরও কম হওয়া উচিত এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হঠাৎ করে দাম বেশি কমালে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হবে। তবে এটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। আন্তর্জাতিক বাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আমরা আগামী সপ্তাহে সোম বা মঙ্গলবার আবার দাম কমাব।’