
কক্সবাজারের পর্যটননির্ভর অর্থনীতিতে আবাসন ও হসপিটালিটি খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে ‘ছুটি বে’। কক্সবাজারের কলাতলী এলাকায় গড়ে উঠছে ছুটি গ্রুপের এই বিলাসবহুল হোটেল প্রকল্প, যেখানে আধুনিক স্থাপত্য, সমুদ্রকেন্দ্রিক অবকাশযাপন এবং হোটেল মালিকানার ধারণাকে একসঙ্গে উপস্থাপন করা হয়েছে।
প্রায় দুই বিঘা জমির ওপর নির্মিতব্য ছুটি বে প্রকল্পটি হবে একটি আধুনিক ১৫ তলাবিশিষ্ট (জি+১৫) ভবন। প্রকল্পটিতে থাকছে প্রায় ৩০০টি কক্ষ, একাধিক সুইমিংপুল, যার মধ্যে থাকবে ইনফিনিটি পুলও। সমুদ্রসৈকতের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে অবকাশযাপনের পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য এটি হতে পারে একটি আকর্ষণীয় আবাসনের ঠিকানা।
ছুটি বের অন্যতম বিশেষত্ব হলো হোটেল মালিকানার সুযোগ। প্রকল্পের শেয়ারভিত্তিক মালিকানা কাঠামোর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জন্য হসপিটালিটি খাতে অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। একটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ লাখ টাকা। প্রকল্পের নির্ধারিত হস্তান্তর সময় ২০৩০ সাল।
আধুনিক সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি প্রকল্পটির পরিকল্পনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে পর্যটকদের আরামদায়ক ও প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতার ওপর। সুইমিংপুল, ইনফিনিটি পুলসহ বিভিন্ন অবকাশসুবিধা এবং কক্সবাজারের পর্যটনকেন্দ্রিক অবস্থান—সব মিলিয়ে ছুটি বে–কে একটি পূর্ণাঙ্গ হসপিটালিটি প্রকল্প হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
কক্সবাজারে শুধু ভ্রমণ নয়; পর্যটননির্ভর সম্পদ ও হোটেল মালিকানার সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য ছুটি বে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে। আধুনিক হোটেল সুবিধা, পর্যটনকেন্দ্রিক অবস্থান ও শেয়ারভিত্তিক মালিকানার সমন্বয়ে প্রকল্পটি দেশের হসপিটালিটি খাতে একটি ভিন্নধর্মী উদ্যোগ হিসেবে গড়ে উঠছে।
কক্সবাজারের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে নতুন সংযোজন হিসেবে গড়ে উঠছে পাঁচ তারকা মানের ছুটি রিসোর্ট কক্সবাজার। টেকনাফ উপজেলার জাহাজপুরা মেরিন ড্রাইভ রোডে সমুদ্রের কাছাকাছি ৭ দশমিক ৬৫ বিঘা জমির ওপর নির্মিত হচ্ছে ছুটি গ্রুপের এই রিসোর্ট প্রকল্প। আধুনিক স্থাপত্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও উন্নত হসপিটালিটি সুবিধার সমন্বয়ে প্রকল্পটি পরিকল্পনা করা হয়েছে।
ছুটি রিসোর্ট কক্সবাজারের নির্মাণকাজে যুক্ত রয়েছে চীনা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টপ ইন্টারন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (টিআইইসি)। আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণপ্রযুক্তি ও প্রকৌশল দক্ষতার সমন্বয়ে প্রকল্পটির কাজ এগিয়ে চলছে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের কোর ম্যাট ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যা নির্মাণ অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
প্রকল্পটির অবস্থানও এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। কক্সবাজারের পর্যটননগরী থেকে কিছুটা দূরে জাহাজপুরা মেরিন ড্রাইভ রোডে সমুদ্র ও প্রাকৃতিক পরিবেশের কাছাকাছি জায়গায় রিসোর্টটি নির্মিত হচ্ছে। ফলে পর্যটকদের জন্য অবকাশযাপনের পাশাপাশি প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি হবে।
পাঁচ তারকা মানের এই রিসোর্টে আধুনিক আবাসন, অবকাশযাপন ও হসপিটালিটি সুবিধা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। স্থাপত্য পরিকল্পনায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে অতিথিদের আরাম, প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবার পরিবেশ তৈরির ওপর।
ছুটি রিসোর্ট কক্সবাজারের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো শেয়ারভিত্তিক মালিকানার সুযোগ। নির্ধারিত কাঠামোর মাধ্যমে আগ্রহী ব্যক্তিরা রিসোর্টের মালিকানার অংশীদার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। প্রতিটি শেয়ারের সঙ্গে নির্দিষ্ট ভূমি ও নির্মাণ এলাকার অংশ যুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি শেয়ার মালিকদের জন্য রিসোর্ট ব্যবহারের বিভিন্ন সুবিধা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
কক্সবাজার দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। পর্যটনের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক ও মানসম্মত আবাসন এবং হসপিটালিটি অবকাঠামোর চাহিদাও বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে পাঁচ তারকা ছুটি রিসোর্ট কক্সবাজারে পর্যটন ও অবকাশযাপনের অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে।
ছুটি গ্রুপের এই প্রকল্পের মাধ্যমে একদিকে যেমন পর্যটকদের জন্য তৈরি হবে আধুনিক পাঁচ তারকা অবকাশযাপনের ঠিকানা, অন্যদিকে শেয়ারভিত্তিক মালিকানার মাধ্যমে আগ্রহী ব্যক্তিদের রিসোর্ট মালিকানার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
৭ দশমিক ৬৫ বিঘা জমি, পাঁচ তারকা রিসোর্ট, চীনা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা এবং চলমান নির্মাণকাজ—সব মিলিয়ে ছুটি রিসোর্ট কক্সবাজারকে দেশের হসপিটালিটি খাতে একটি উল্লেখযোগ্য প্রকল্প হিসেবে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।