এটিএম বুথ
এটিএম বুথ

ঈদের ছুটিতে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখতে হবে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ব্যাংকের এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকার রাখার জন্য সব ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ইতিমধ্যে তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শীর্ষ নির্বাহীদের এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ঈদের সময় বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকার তোলার চাহিদা বাড়ে। এটিএম বুথের সামনে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। অনেক সময় বুথে টাকা থাকে না।

শুধু এটিএম নয়, পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), কিউআর কোড, ইন্টারনেট ব্যাংক, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এবার দেখা যাক, বাংলাদেশ ব্যাংকের গতকালের নির্দেশনায় কী আছে:

১. এটিএমের ক্ষেত্রে সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিত করা; কোনো ধরনের কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা; বুথে পর্যাপ্ত টাকা সরবরাহ নিশ্চিত করা; বুথে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা; প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কর্মকর্তারা বুথ পরিদর্শন করবেন।

২. পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), কিউআর কোডের ক্ষেত্রে সার্বক্ষণিক লেনদেন সেবা নিশ্চিত করা; জাল–জালিয়াতি রোধে মার্চেন্ট ও গ্রাহকদের সচেতন করা।

৩. ইন্টারনেট ব্যাংকিং অনলাইন ই-পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে হিসাবের মাধ্যমে সম্পাদিত লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং অনলাইন ই-পেমেন্ট গেটওয়েতে কার্ডভিত্তিক কার্ড ‘কার্ড নট প্রেজেন্ট’ লেনদেনের ক্ষেত্রে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবস্থা আবশ্যিকভাবে নিশ্চিত করা; ‘৮৫’ রেসপন্স কোড–সংবলিত লেনদেনের সেটেলমেন্ট রিপোর্ট পাওয়ার পর রিসিভিং ব্যাংক কর্তৃক নিজ উদ্যোগে তাৎক্ষণিকভাবে বেনিফিসিয়ারি গ্রাহকের হিসাবে ফান্ড ক্রেডিট করা।

৪. মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) ক্ষেত্রে এমএফএস প্রদানকারী সব ব্যাংক বা তাদের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি কর্তৃক নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন এবং এজেন্ট পয়েন্টে পর্যাপ্ত পরিমাণ নগদ অর্থের সরবরাহ নিশ্চিত করা।

৫. বিবিধ: ক) ঈদের ছুটিকালীন সময়ে পরিশোধ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ কর্তৃক উপর্যুক্ত সেবার আওতার সিস্টেমসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ ঝুঁকি মোকাবিলা করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। খ) ওপরে উল্লেখিত সেবার আওতায় যেকোনো অঙ্কের লেনদেনের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে এসএমএস অ্যালার্ট সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহকগণকে অবহিত করা। গ) ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সব ধরনের পরিশোধ সেবার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য গণমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রচার-প্রচারণার ব্যবস্থা করা। গ) সব লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো অবস্থাতেই গ্রাহক যেন হয়রানির শিকার না হয়, তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং সার্বক্ষণিক হেল্পলাইন সহায়তা দেওয়া।