দেশের বিটুবি কমার্স প্ল্যাটফর্ম শপআপ সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্যে ৩০০ মেট্রিক টন চাল রপ্তানি করেছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে তাজা শাকসবজি ও মৌসুমি ফল রপ্তানিও শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত রপ্তানি বরাদ্দের আওতায় সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্যে চাল রপ্তানি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দুই দেশের মান, কমপ্লায়েন্স ও সরবরাহব্যবস্থার চাহিদা পূরণ করে এসব পণ্য সরবরাহ করা হয়েছে।
শপআপ জানিয়েছে, রপ্তানি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তারা এখন তাজা শাকসবজি ও মৌসুমি ফলের বাজারেও প্রবেশ করেছে। এ ধরনের পণ্য রপ্তানিতে দ্রুত সরবরাহব্যবস্থা, কোল্ড চেইন ও সমন্বিত সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন হয়।
প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, ভবিষ্যতে শর্ষের তেল, মুড়ি ও অন্যান্য শুকনা খাদ্যপণ্য রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শপআপ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউর রহিম চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বের বর্তমান চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি উৎপাদন করে। আমাদের লক্ষ্য শুধু বিচ্ছিন্নভাবে কিছু পণ্য রপ্তানি করা নয়, বরং এমন একটি অবকাঠামো তৈরি করা, যার মাধ্যমে বাংলাদেশি খাদ্যপণ্য বিশ্ববাজারে বড় পরিসরে ও নির্ভরযোগ্যভাবে পৌঁছানো যাবে।’
আতাউর রহিম চৌধুরী আরও বলেন, চাল ও তাজা কৃষিপণ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য রপ্তানিতে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে বলে তাঁরা মনে করছেন।
বর্তমানে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানির বড় অংশই তৈরি পোশাক খাতনির্ভর। এ কারণে কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। ‘রপ্তানি নীতি ২০২৪–২০২৭’-এ কৃষি ও খাদ্যপণ্যকে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
শপআপ জানিয়েছে, তাদের সমন্বিত কমার্স, লজিস্টিকস ও আর্থিক অবকাঠামোর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার দোকানে খাদ্য ও নিত্যপণ্য সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ৪০০টির বেশি মাইক্রো-ফুলফিলমেন্ট হাবের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
শপআপ বর্তমানে সিল্কের অংশ। সৌদি আরবভিত্তিক বিটুবি মার্কেটপ্লেস সারি ও শপআপের একীভূতকরণের মাধ্যমে সিল্ক গঠিত হয়েছে।