
দুর্গাপূজার বেচাকেনার জন্য দোকানপাট ও বিপণিবিতান রাত ৮টার পরিবর্তে ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখতে চান ব্যবসায়ীরা।
এ জন্য গত বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন ও মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া। বিষয়টি আজ রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানিয়েছে দোকান মালিক সমিতি।
চিঠিতে দোকান মালিক সমিতির নেতারা বলেছেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী ব্যবসায়ীরা রাত ৮টার মধ্যে সারা দেশের বিপণিবিতান ও দোকানপাট বন্ধ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী দেশের সংকটকালে তাঁরা জ্বালানি সাশ্রয়ে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও জ্বালানিসংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে দোকানপাটে কেনাবেচা নেই বললেই চলে। এর কারণে ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। ব্যবসায়ীদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।
সমিতির নেতারা আরও বলেন, ঈদ ও দুর্গাপূজার সময় বেচাকেনা কিছুটা ভালো হয়। তাই দোকানপাট খোলা রাখার সময় বৃদ্ধি করা হলে ব্যবসায়ীরা অনেক উপকৃত হবেন। ইতিমধ্যে লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে আগামীকাল সোমবার থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত বিপণিবিতান ও দোকানপাট খোলা রাখার দাবি করেন তাঁরা।
মধ্যপ্রাচ্যের সংকট শুরুর পর জ্বালানিসংকট তীব্র হলে গত এপ্রিলে দোকান ও বিপণিবিতান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দেয় সরকার। যদিও তখন ব্যবসায়ীরা রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চেয়েছিলেন। পরে সরকার দোকানপাট বন্ধের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা করে। কোরবানির ঈদের আগে সময়সীমা শিথিল করা হয়।
সর্বশেষ গত ১২ আগস্ট সরকার আবার দোকানপাট ও বিপণিবিতান রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশনা জারি করে। তখন বলা হয়, বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সব ধরনের আলোকসজ্জা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়।