
কয়েক বছর ধরে সাধারণ মানুষের চরম উদ্বেগ ও ভোগান্তি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। তাই নতুন সরকারের নতুন বাজেট সামনে রেখে চাকরিজীবী থেকে শুরু করে শ্রমজীবীসহ সাধারণ মানুষ চান দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসুক। ব্যবসায়ীরা চান ব্যবসার পরিবেশ সহজ হোক, শুল্ক–করের চাপ কমুক। তরুণেরা চান শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাত উন্নত হোক। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে গৃহিণী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার ছয়জনের বাজেট প্রত্যাশা নিয়ে এ আয়োজন।
একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত নাগরিক হিসেবে এই বাজেট নিয়ে আমার এবং কোটি মানুষের প্রত্যাশা খুব সাদামাটা—বাজেট যেন আমাদের আয়ের আয়ত্তের মধ্যে থাকে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের আয়ের উৎস খুবই সীমিত। এই অবস্থায় আমাদের সবচেয়ে বড় শঙ্কা ও সংকট হলো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। সরকারের কাছে জোরালো দাবি, এবারের বাজেটে যেন এমন কার্যকর পদক্ষেপ থাকে, যাতে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে থাকে।
অর্থনীতির পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা ও বিচারব্যবস্থার সংস্কারও জরুরি। স্পষ্ট করে বলতে গেলে, সমাজে এখন ‘দুর্বলের কোনো আইন নেই, সব আইন যেন সবলের জন্য।’ ক্ষমতাশালীরা যেকোনো অপরাধ করে পার পেয়ে যায়, আর সাধারণ দুর্বল মানুষ সব সময় কোণঠাসা হয়ে থাকে। আমরা চাই একটি সভ্য দেশে আইন সবার জন্য সমান হোক। আমাদের প্রত্যাশা, বাংলাদেশে এমন একটি পরিবেশ তৈরি হবে, যেখানে অপরাধী প্রকৃত শাস্তি পাবে আর নির্দোষ মানুষ নিশ্চিতভাবে ন্যায়বিচার পাবে।
আবুল কালাম আজাদ, রাইড শেয়ারিং চালক, টঙ্গী