বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের নেতারা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ৫০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়
বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের নেতারা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ৫০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়

বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল

বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের নেতারা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বৈঠকের তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ৫০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। প্রতিনিধিদলে এক্সিলারেট এনার্জি, শেভরন, মেটা, মেটলাইফ, বোয়িং, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকসহ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন এক্সিলারেট এনার্জির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ কমার্শিয়াল অফিসার অলিভার সিম্পসন এবং ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অতুল কেশপ।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশে কীভাবে বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি কোম্পানির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা অংশ নেন। কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো এক্সিলারেট এনার্জি, শেভরন, মেটা, মেটলাইফ, বোয়িং ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।

একই সময়ে ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশপ বলেন, আজ বৈঠকে যে ২৫টি কোম্পানির প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন, সেসব কোম্পানি হলো বাংলাদেশে শীর্ষ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশ হতে চায়। এ জন্য বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগ ও কারিগরি জ্ঞানের মাধ্যমে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। তাঁর মতে, বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো বেশ উৎসাহব্যঞ্জক, যা বিনিয়োগ আকৃষ্ট করবে।

বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী প্রমুখ।