পয়লা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ আসছে। নববর্ষকে ঘিরে নতুন পোশাক, ঘর সাজানো আর খাওয়াদাওয়ায় বাড়তি খরচ হয়। এবার ঈদের পরপরই বাংলা নববর্ষ এল। তাই ঈদের খরচের পর আবার নববর্ষের খরচের চাপ তৈরি হয়েছে। তাই পরিকল্পনা না থাকলে মাসের বাজেটই এলোমেলো হয়ে যেতে পারে।
সংযত পরিকল্পনা থাকলে বৈশাখের আনন্দও থাকবে আবার মাসের আর্থিক ভারসাম্যও নষ্ট হবে না।
১. আগে বাজেট করুন
মাসিক আয়ের নির্দিষ্ট অংশ বৈশাখের জন্য আলাদা রাখুন। মোট আয়ের ১০-১৫ শতাংশের বেশি যেন না যায়, এটা লক্ষ রাখুন।
২. কেনাকাটার তালিকা বানান
হুট করে কেনাকাটা না করে আগে তালিকা করুন, কার জন্য কী কিনবেন। তালিকার বাইরে খরচ কমানোর চেষ্টা করুন।
৩. অফার ও ছাড় কাজে লাগান
বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও শপিং মলে বৈশাখী ছাড় থাকে। আগে খোঁজ নিয়ে কম দামে ভালো জিনিস কেনার চেষ্টা করুন।
৪. পোশাকে বাস্তবতা রাখুন
প্রতিবছর নতুন পোশাক কেনার বদলে আগের পোশাক ব্যবহারযোগ্য কি না, দেখুন। তাহলে পোশাকে খরচ কমাতে পারবেন। পরিবারের সবার জন্য না কিনে অগ্রাধিকার ঠিক করতে পারেন।
৫. খাবারের খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখুন
বাইরে খাওয়ার পরিকল্পনা সীমিত রাখুন। বাড়িতে আয়োজন করলে খরচ তুলনামূলক কম হয়। তাই রেস্তোরাঁয় খাওয়ার পরিবর্তে বাসায় আয়োজন করতে পারেন।
৬. ডিজিটাল পেমেন্টে সতর্ক থাকুন
কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে খরচ করলে তাৎক্ষণিক হিসাব রাখুন। পরে বিল দেখে চাপে পড়ার ঝুঁকি থাকে। তাই ক্রেডিট কার্ডে খরচের ক্ষেত্রে ভেবে দেখুন।
৭. জরুরি সঞ্চয় অক্ষত রাখুন
উৎসবের জন্য সঞ্চয়ের টাকা ভাঙবেন না। হঠাৎ প্রয়োজনে এই তহবিলই ভরসা। তাই জরুরি তহবিল ধরে রাখুন।
৮. শিশুদের খরচে সীমা নির্ধারণ করুন
বাচ্চাদের জন্য কেনাকাটার বাজেট আগে ঠিক করে দিন, যাতে অতিরিক্ত খরচ না হয়। খেলনা বা কম প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকে নিরুৎসাহিত করুন।
৯. সামাজিকতা: দাওয়াত মানেই খরচ
বৈশাখে নানা অনুষ্ঠান ও দাওয়াত থাকে। সব অনুষ্ঠানে যাওয়া মানেই বাড়তি খরচ। তাই দাওয়াতসহ সামাজিকতা রক্ষায় কোথায় যাবেন, কোথায় যাবেন না, তা ঠিক করুন। এতে খরচ কমবে।