
কাঞ্চনমালা আর কাঁকনমালা
প্রশ্ন: কাঞ্চনমালা ও কাঁকনমালার চরিত্রের তুলনামূলক আলোচনা করো।
উত্তর: কাঞ্চনমালা হলো রানি আর কাঁকনমালা হলো দাসী। আচার-আচরণেও দুজনের চরিত্র ছিল বিপরীতধর্মী।
‘কাঞ্চনমালা’ সত্যিকারের রানি। ভাগ্যের দোষে হয়ে যান দাসী। দাসী কাঁকনমালা রানির স্থান দখল করে তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। তবুও কাঞ্চনমালা সবকিছু মুখ বুজে সহ্য করেন। রানি কাঞ্চনমালা সব কাজে পটু ছিলেন। নানা রকমের পিঠা বানানো, নিখুঁত আলপনা আঁকা—এসব কাজে কাঞ্চনমালা ছিলেন পারদর্শী। অন্যদিকে দাসী কাঁকনমালা ছিল প্রতারক। দুর্বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে নিজে নকল রানি সাজে। রানি হওয়ার অহংকারে সবার সঙ্গেই খারাপ আচরণ করে। ঘরের কোনো কাজেই কাঁকনমালার দক্ষতা ছিল না। আসলে কাঞ্চনমালা ছিল সহজ-সরল মনের অধিকারী। আর কাঁকনমালা ছিল প্রতারণাকারী।
প্রশ্ন: নিচের শব্দগুলো দিয়ে বাক্য লেখো।
নিঝুম, সুখ, রাজপুত্র, টনটন, ময়ূর, পদ্মলতা, চিনচিন, বাঁশি।
উত্তর
প্রদত্ত শব্দ প্রদত্ত বাক্য
নিঝুম নিঝুম দুপুরে রাখাল বাঁশি বাজায়।
সুখ বন্ধুর জন্য বাঁশি বাজিয়ে রাখাল বড় সুখ পায়।
রাজপুত্র রাজপুত্র তার বন্ধু রাখালের বাজানো বাঁশি শোনে।
টনটন কাঁটা বিঁধে হাতটা ব্যথায় টনটন করছে।
ময়ূর ময়ূর পেখম তুলে নৃত্য করে।
পদ্মলতা বিলে প্রচুর পদ্মলতা রয়েছে।
চিনচিন মাথায় চিনচিন করে ব্যথা করছে।
বাঁশি রাখাল মধুর সুরে বাঁশি বাজায়।