বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন উপলক্ষে সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনসহ অন্যরা।
বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন উপলক্ষে সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনসহ অন্যরা।

প্রাথমিকে শিক্ষক পদে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে, চলবে ১ অক্টোবর পর্যন্ত: প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, ১ অক্টোবর পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলবে। তখন চূড়ান্তভাবে জানা যাবে কতজন বাদ গেল। এরপর সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন উপলক্ষে আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

আ ন ম এহছানুল হক বলেন, আজ সোমবার পর্যন্ত নিয়োগপত্র দেওয়ার বাকি আছে ৮১৭ জন। পর্যায়ক্রমে ভেরিফিকেশন হচ্ছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক বলেন, এই নিয়োগ পরীক্ষায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জন উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে ৫৩০ জন নিজের ইচ্ছায় আবেদন করেননি (প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি)। হয়তো অন্য কোনো চাকরিতে চলে গেছেন। এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ৮৫৪ জনের চূড়ান্ত আবেদন এসেছে। এর মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিয়োগপত্র দেওয়ার সময় দেখা গেছে, অনেকেই ঠিকানা পাল্টিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র ওয়েবসাইটে দিচ্ছেন ও এর উন্নতি হচ্ছে। এর মধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অপপ্রচার শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মন্ত্রী।

আ ন ম এহছানুল হক বলেন আজ পর্যন্ত নিয়োগপত্র দেওয়ার বাকি আছে ৮১৭ জন। পর্যায়ক্রমে ভেরিফিকেশন হচ্ছে। ঠিকানা আসছে।

এ বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর করার জন্য ইতিমধ্যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিজের অবস্থান জানানোর কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যাঁদের হয়নি, সেগুলো পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত এটা চলবে। কারও ঠিকানা আসবে, কারও ভেরিফিকেশনের তথ্য আসবে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত চূড়ান্ত যে সংখ্যাটি, সেটা নিয়ে কাজ করা হবে। তিনি বলেন ‘আমরা আদৌ জানি না, ফাইনালি ২০ জন হবে, নাকি ৫০ জন হবে, নাকি ১০০ জন।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক।