
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান মেক্সিকোর সিটিজ ইউনিভার্সিটির ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘দ্য কমিটমেন্ট অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস টু স্টুডেন্ট সাকসেস: আইএইউপি এক্সপেরিয়েন্সেস’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন।
২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেক্সিকারি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এ প্যানেল আলোচনায় বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। আলোচনায় প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব, শিক্ষার্থীদের সাফল্য এবং পরিবর্তিত বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসিডেন্টদের দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
প্যানেল আলোচনায় উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত কয়েকজন নেতা অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টসের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ও ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, স্যান বার্নার্ডিনোর প্রেসিডেন্ট ইমেরিটাস টমাস ডি মোরালেস, জর্জিয়ার ককেশাস ইউনিভার্সিটির রেক্টর কাকা শেনজেলিয়া এবং পেরুর ইউনিভার্সিদাদ সেনিয়র দে সিপানের রেক্টর আলেহান্দ্রো ক্রুজাতা। সেশনটি সঞ্চালনা করেন ইউনিভার্সিটি অব লা ভার্নের প্রেসিডেন্ট ইমেরিটাস এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টসের (আইএএইইউপি) প্রেসিডেন্ট ইমেরিটাস ডেবোরা লিবারম্যান।
আলোচনায় সবুর খান বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা নেতৃত্বের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং শিক্ষার্থীদের সাফল্য, উদ্যোক্তা-মানসিকতা, উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক সম্পৃক্ততাকে বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখার ক্ষেত্রে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অঙ্গীকারকে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্য শুধু একটি একাডেমিক ডিগ্রি অর্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, তাঁদের ব্যবহারিক দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস, উদ্যোক্তা-মানসিকতা এবং নিজেদের ও অন্যদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করার সক্ষমতা অর্জনও সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একই সঙ্গে তিনি এমন একটি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যেখানে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে অর্থবহ পরিবর্তন ও প্রভাব সৃষ্টি করতে পারেন।
আলোচনায় সবুর খানের বক্তব্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল—বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ক্রমেই ‘বিয়ন্ড ডিগ্রিস’ ধারণার দিকে এগিয়ে যেতে হবে। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য শুধু শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করা নয়; বরং তাঁদের নেতৃত্ব, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা কার্যক্রম এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টির জন্যও সক্ষম করে তোলা।