
বাংলা ১ম পত্র: সহপাঠ
উপন্যাস: লালসালু
প্রিয় এইচএসসি পরীক্ষার্থী, ‘লালসালু’ উপন্যাসের ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর দেওয়া হলো। এই তথ্যগুলো পড়ে উপন্যাস সম্পর্কে পুরো ধারণা পাওয়া সম্ভব।
১. মাঠের ধান নষ্ট হয়ে যায়—শিলাবৃষ্টি হলে।
২. ‘শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি’ বলতে বোঝানো হয়েছে— ধর্মীয় গোঁড়ামি।
৩. গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই—অন্য সংস্করণ।
৪. বিশ্বাসের পাথরে যেন—খোদাই করা চোখ।
৫. ঘরের ম্লান আলোয় কবরের সেই অনাবৃত অংশটা—মৃত মানুষের খোলা চোখের মতো দেখায়।
৬. আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল—১৩ বছর বয়সে।
৭. মোনাজাত শেষে মজিদ পা ফেলছিল—উত্তর দিকে।
৮. আমেনা বিবি ও রহিমার মধ্যে মিল রয়েছে—নিঃসন্তানের দিকটা।
৯. ঘুমকাতুরে বলা হয়—জমিলাকে।
১০. খালেক ব্যাপারীর মতে আক্কাস দাড়ি রাখেনি—ইংরেজি পড়েছে বলে।
১১. গ্রামে হিড়িক পড়েছে—মসজিদ স্থাপনের।
১২. আমেনা বিবির আনন্দ আর সুখের নিশানা—থোতা মুখের তালগাছ।
১৩. আওয়ালপুরের পীরের মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে— ধর্মব্যবসা।
১৪. মকরুহ শব্দের অর্থ—গর্হিত বা নিষিদ্ধ।
১৫. মজিদ হাসপাতালে গিয়েছিল—সমবেদনা প্রকাশ করতে।
১৬. আওয়ালপুরের পীরের প্রতি আমেনার প্রকাশ পেয়েছে—অন্ধবিশ্বাস।
১৭. খালেক ব্যাপারীর সঙ্গে ধলা মিয়ার সম্পর্ক ছিল—শ্যালক।
১৮. ধলা মিয়াকে ব্যাপারী আওয়ালপুরে যেতে বলেছিল— পানিপড়া আনতে।
১৯. ধলা মিয়ার দেবংশি তেঁতুলগাছকে ভয় পাওয়ার মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে—কুসংস্কার বিশ্বাস।
২০. মজিদ বারবার ধলা মিয়াকে আওয়ালপুরে যেতে বলায় প্রকাশ পেয়েছে—দৃঢ়তা।
২১. আওয়ালপুরের পীরকে মজিদ আখ্যা দিয়েছে—ইবলিশ।
২২. খালেক ব্যাপারী মজিদকে ভয় পায়—ধর্মভীতির কারণে।
২৩. ‘আমেনা’র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য—নিঃসন্তান।
২৪. ঢেঙা বুড়োর স্ত্রীর জানাজা পড়ানোর কথা ছিল—মোল্লা শেখের।
২৫. ‘তানি যে খোদার মানুষ’ উক্তিটি হলো—রহিমার।
২৬. আমেনা বিবি মজিদের কাছে চড়ে গিয়েছিল— পালকি।
২৭. আমেনা বিবিকে পালকি থেকে নামিয়ে মজিদ যেতে বলেছিলেন—মাজারে।
২৮. মজিদ বারবার আমেনা বিবির দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছিল—রূপের মোহে।
২৯. মজিদের সামনে খালেক ব্যাপারী অসহায়—ধর্মভীতির কারণে।
৩০. আমেনা বিবি মাজারে পাক শুরু করেছিল—ডান দিক থেকে।
৩১. রহিমা মাজারে আমেনা বিবির দৃশ্যগুলো দেখেছিল—বেড়ার ফুটো দিয়ে।
৩২. আমেনা বিবি মাজারের মধ্যে মূর্ছা গিয়েছিল—শারীরিক দুর্বলতায়।
৩৩. খালেক ব্যাপারীর গলায় শিশুর ভাব আসে—সন্দেহে।
৩৪. আমেনা বিবির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য—স্বামীভীরু।
৩৫. যে গাছ দেখে আমেনা বিবি বুঝত যে স্বামীর বাড়িতে পৌঁছেছে—তালগাছ।
৩৬. মোদাব্বের মিয়ার ছেলের নাম—আক্কাস।
৩৭. মজিদ আক্কাসকে দমাতে চাওয়ায় তার চরিত্রে উন্মোচিত হয়েছে—শোষণ।
৩৮. ‘পুলক’ শব্দের অর্থ—আনন্দ।
৩৯. ‘বেত্তমিজের মতো কথা কইস না’ উক্তিটি যার সম্পর্কে করা হয়েছিল—আক্কাস।
৪০. মহব্বতনগর গ্রামের বড় মসজিদ নির্মাণে বারো আনা ব্যয় বহন করতে চেয়েছিল—খালেক ব্যাপারী।
৪১. মহব্বতনগর গ্রামে মসজিদ নির্মাণে তদারকিতে ছিল—মজিদ।
৪২. সচ্ছলতায় শিকড় গাড়া বৃক্ষ ছিল—মজিদ।
৪৩. মজিদের যশ, খ্যাতির উৎস—পুরোনো কবরটি।
৪৪. মজিদের নিঃসঙ্গবোধের কারণ—নিঃসন্তান হওয়ায়।
৪৫. যার বিলাপে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল—খ্যাংটা বুড়ির।
৪৬. রহিমা পোষ্য রাখতে চায়—হাসুনিকে।
৪৭. ‘মজিদের মনে কিন্তু অন্য কথা ঘোরে’ এখানে ‘অন্য কথা’ বলতে বোঝানো হয়েছে—দ্বিতীয় বিয়ে।
৪৮. ‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু—গ্রামীণ জীবন, কুসংস্কার ও গোঁড়ামি।
৪৯. নোয়াখালী অঞ্চলে শস্যের চেয়ে বেশি—টুপি।
৫০. ‘এক রত্তি মাইয়া’ বলা হয়েছে—জমিলাকে।
মোস্তাফিজুর রহমান, শিক্ষক
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, ঢাকা