ফেসবুকের নাম ‘মেটা’ হওয়ায় খোঁচা দিচ্ছেন সবাই, রেহাই পাননি জাকারবার্গও

ফেসবুকের করপোরেট নাম পরিবর্তনের ঘোষণা দেন মার্ক জাকারবার্গ
মেটা

নামে যে অনেক কিছু আসে যায়, মার্ক জাকারবার্গ তা প্রমাণ করে ছাড়লেন। ভুয়া তথ্যে ফেসবুক সয়লাব হয়ে যাচ্ছে, হিংসা-বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ছে, ব্যবহারকারীদের তথ্যের সুরক্ষার খবর নেই। অথচ তাঁর কাছে বড় হয়ে উঠল কিনা নাম। ঘোষণা দিয়ে বসলেন, ফেসবুকের করপোরেট নাম এখন থেকে মেটা। ফেসবুক ফেসবুকই থাকবে, ইনস্টাগ্রাম ইনস্টাগ্রামই থাকবে, তবে ছড়ি ঘোরাবে মূল প্রতিষ্ঠান মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকরপোরেটেড।

যেন নাম বদলালেই সব বদলে যাবে। অবশ্য বদলের আশা মার্ক যে করছেন না, তা বলা যাবে না। ফেসবুককে তিনি মেটাভার্সের ভার্চ্যুয়াল দুনিয়া বানাতে চান, যেখানে প্রত্যেকের আভাটার থাকবে। ত্রিমাত্রিক জগতে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ-কাজকর্ম সারা যাবে। তবে ফেসবুকের মৌলিক সমস্যাগুলোর সমাধান নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি।

কিন্তু মানুষ তো আর বোকা নয়, যা বোঝার তা বুঝে নিল। পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিল, আচ্ছা, এই যে দুর্নাম আর কেলেঙ্কারির সমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছে ফেসবুক, নাম বদল সেসব থেকে নজর হটানোর কৌশল নয় তো? সে প্রশ্ন করেই ক্ষান্ত হয়নি। ফেসবুকের নাম বদলের খবরে ফেসবুক আর টুইটারে ঠাট্টা করতে শুরু করেন ব্যবহারকারীরা।

খোঁচা দিতে ছাড়েনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্ল্যাটফর্ম টুইটার

রেহাই পাননি মার্ক জাকারবার্গ স্বয়ং

সবচেয়ে রসিক সম্ভবত বাঙালিরা

ফেসবুকের নাম পরিবর্তন নিয়ে প্রথম আলোর খবরে পাঠকেরা ফেসবুকে সরসিক মন্তব্য করেছেন। এবার সেগুলো দেখা যাক।

কেউ কেউ অবশ্য নতুন নাম সুপারিশ করেছেন। নইলে আন্দোলন।

কী কেলেঙ্কারি হয়ে যেত বলুন তো!

এদিকে খবর বেরিয়েছে, ফেসবুকের নাম বদলে মেটা রাখা হলে বিনিয়োগকারীদের ভুলে নাকি দাম বেড়ে যায় আরেক মেটার।