ফারুকী ভাইয়ের অবদানকে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই...

পদক গ্রহণ করছেন আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা। ছবি: ফেসবুক থেকে
পদক গ্রহণ করছেন আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা। ছবি: ফেসবুক থেকে

মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন বাংলা রক সংগীতের অন্যতম পথিকৃৎ এলআরবি ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা আইয়ুব বাচ্চু। তাঁর পক্ষে আজ পদক গ্রহণ করেন স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো একুশে পদক পেয়েছে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ‘ওয়ারফেজ’। এ অর্জনকে দেশের রক সংগীতের জন্য ‘বিশেষ গর্বের দিন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ছোট পর্দার অভিনেতা ইমতিয়াজ বর্ষণ।

ব্যান্ড ওয়ারফেজ এর শেখ মনিরুল আলম টিপু পুরস্কার গ্রহন করেন। ছবি: ফেসবুক থেকে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ইমতিয়াজ বর্ষণের মন্তব্য, বাংলা রক মিউজিকের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল। এবার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। ‘এলআরবির প্রতিষ্ঠাতা, গিটারের জাদুকর, গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী শ্রদ্ধেয় আইয়ুব বাচ্চু বাংলা রক সংগীতকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। সেই সঙ্গে প্রথমবার একুশে পদক পেল বাংলা হার্ড রক ব্যান্ড ওয়ারফেজ। অশেষ অভিনন্দন বাচ্চু ভাই এবং ব্যান্ড ওয়ারফেজ। বাংলাদেশের রক মিউজিকের জন্য এ এক বিশেষ গর্বের দিন,’ লিখেছেন বর্ষণ।

আইয়ুব বাচ্চু

রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। সদ্য বিদায়ী সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ভূমিকাও স্মরণ করে লিখেছেন, ‘বাংলা রক মিউজিকের এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে অশেষ ধন্যবাদ। এই স্বীকৃতি আদায়ে সদ্য বিদায়ী সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ভাইয়ের অবদানকে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।’

একুশে পদক পেয়েছে ওয়ারফেজ। ছবি: ব্যান্ডটির সৌজন্যে

বর্ষণ মনে করেন, স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে ব্যান্ডসংগীত যে ঋদ্ধতা অর্জন করেছে, তাতে দেশের অসংখ্য সুরকার, গিটারিস্ট, ড্রামারসহ সংগীতশিল্পীদের অবদান রয়েছে। এই সম্মাননা সংগীতের সঙ্গে জড়িত মানুষদের অনুপ্রাণিত করবে। সবশেষে বর্ষণ লিখেছেন, ‘বাংলা সংগীতজগতের যে ঋদ্ধতা, তার প্রধান অংশীদার বাংলা রক ব্যান্ড মিউজিক। বিশ্ব মিউজিকের সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলা রক। এখন থেকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যান্ড মিউজিকের তারকারাও এগিয়ে থাকবেন, তার শুভসূচনা হলো ২০২৬–এর একুশে পদক।’