দীপিকা ও মুজাম্মিল। কোলাজ
দীপিকা ও মুজাম্মিল। কোলাজ

দীপিকার প্রথম প্রেম? সেই সাক্ষাৎকারের ব্যাখ্যা দিলেন সাবেক প্রেমিক মুজাম্মিল ইব্রাহিম

বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনকে নিয়ে করা এক বছরের পুরোনো সাক্ষাৎকার নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনার মুখে পড়েছেন অভিনেতা-মডেল মুজাম্মিল ইব্রাহিম। বিশেষ করে বিচ্ছেদ নিয়ে তাঁর ‘আমার কোনো আফসোস নেই’ মন্তব্য এবং সম্পর্কটি তিনিই শেষ করেছিলেন—এমন বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। এরপরই নীরবতা ভেঙে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।

ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে মুজাম্মিল জানান, যে সাক্ষাৎকার এখন নতুন দাবি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে, সেটি আসলে এক বছরের বেশি আগে ধারণ করা হয়েছিল।
মুজাম্মিল লেখেন, ‘যে সাক্ষাৎকার নিয়ে এখন আলোচনা হচ্ছে এবং যেটিকে ভুলভাবে “নতুন দাবি” হিসেবে শিরোনাম করা হচ্ছে, সেটি এক বছরের বেশি আগে রেকর্ড করা হয়েছিল। বর্তমানে যে অংশগুলো ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো একটি দীর্ঘ আলাপের ছোট ছোট অংশ মাত্র। সম্পাদনার কারণে অনেক সময় দ্বিধা, প্রেক্ষাপট ও যে সম্মানের সঙ্গে বিষয়গুলো বলা হয়েছিল, তা হারিয়ে যায়।’

মুজাম্মিল আরও বলেন, অতীতের মানুষদের সম্পর্কে তিনি সব সময় সম্মান রেখেই কথা বলেছেন।

মুজাম্মিলের ভাষায়, ‘আমি সব সময় আমার অতীতের মানুষদের সম্পর্কে সম্মান রেখেই কথা বলার চেষ্টা করেছি, এখনো সে অবস্থানেই আছি। অন্য সবার মতো আমিও বহু বছর ধরে আমার কাজ ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই এগিয়ে চলেছি। আমি চাই, আলোচনাটাও সেখানেই সীমাবদ্ধ থাকুক। আমি সৎভাবে কথা বলায় বিশ্বাস করি, তবে সেই সততা অবশ্যই সম্মানের সঙ্গে হওয়া উচিত।’

দীপিকা পাড়ুকোন। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

কী বলেছিলেন মুজাম্মিল
২০২৫ সালের জুনে সাংবাদিক সিদ্ধার্থ কাননের ইউটিউব অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুজাম্মিল প্রথমবারের মতো দীপিকার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন।

বর্তমানে ভাইরাল হওয়া অংশে মুজাম্মিল দাবি করেন, দীপিকাই প্রথম তাঁকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং সম্পর্কটি শেষ করার সিদ্ধান্তও তিনিই নিয়েছিলেন।
মুজাম্মিল বলেন, ‘আমি কাউকে ছেড়ে আসার জন্য কখনো আফসোস করি না। তখন আমি তারকা ছিলাম, সে ছিল একজন মডেল। এখন সে সুপারস্টার, আর আমাকে কেউ চেনে না। তবে আমি তার বড় ভক্ত।’

এ ছাড়া মুজাম্মিল দাবি করেন, মুম্বাইয়ে আসার পর দীপিকার প্রথম ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল তাঁর সঙ্গেই। বিচ্ছেদের পরও কয়েক বছর তাঁদের বন্ধুত্ব ছিল এবং ফোনে যোগাযোগ হতো। তবে দীপিকার বিয়ের পর আর তাঁদের কোনো যোগাযোগ নেই।
মুজাম্মিল আরও বলেন, দীপিকার সাফল্য দেখে তাঁর কখনো হিংসা হয়নি; বরং সময়ের সঙ্গে তিনি খুশি যে দীপিকা নিজের জীবনে এতটা সফল হয়েছেন।
কাজের ক্ষেত্রে দীপিকা এখন ব্যস্ত সিদ্ধার্থ আনন্দর ‘কিং’ সিনেমার শুটিং নিয়ে। সিনেমাটি শেষ করেই তিনি যাবেন মাতৃত্বকালীন বিরতিতে।

হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে