কারিনা কাপুর খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
কারিনা কাপুর খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

বয়স বাড়ছে, কারিনা বললেন...

গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর ৪৬ বছরে পা দিয়েছেন কারিনা কাপুর খান। একসময় বলিউডের বহুল প্রচলিত ধারণা ছিল—‘বয়স হওয়া মানেই শেষ।’ তবে সব ধারণাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এখনো পর্দায় দাপট দেখাচ্ছেন কারিনা। সম্প্রতি দ্য হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বয়স নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন অভিনেত্রী। কারিনা বলেন, ‘মানুষ যা বলে, সেটা নিয়ে আমি ভাবি না।’

অভিনয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের সন্ধানে
শুরুর দিকে কারিনাকে দেখা যেত গ্ল্যামার–নির্ভর সিনেমায়। কিন্তু আজ তিনি তাঁর অভিনয়কে নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেন। ‘এখন আমি অভিনয় নিয়ে ভাবি, নিজেকে নিজেই চ্যালেঞ্জ করি। যেমন “দ্য বাকিংহাম মার্ডারস”–এ নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করেছি। এটা আমার জন্য সহজ ছিল না।’ কেবল এই দৃশ্যই নয়, পুরো সিনেমাতেই প্রায় গ্ল্যামার ছাড়া অভিনয় করেছেন কারিনা। অভিনেত্রী জানান, তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সচেতনভাবেই।

কারিনা কাপুর খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

শরীরেরর ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ
একসময় তাঁর শরীর ছিল ভারতজুড়ে এক আলোচনার বিষয়, ‘টাশান’ ছবিতে কারিনার ‘সাই জিরো’ ফিগার নিয়ে ব্যাপক চর্চা হয়েছিল। কিন্তু এখন কারিনা কাপুরের শরীর নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে। তিনি বলেন, ‘আমি সাইজ জিরো ছিলাম, সাইজ টেনও হয়েছি। আমি সেটাই হতে চাই, যা নিজের কাছে ভালো লাগে।’ এই সাক্ষাৎকারে কারিনা আরও যোগ করেন, ‘ফ্যাশন বা কস্টিউমের ক্ষেত্রে আমি যেটা মুহূর্তে ভালো লাগে, সেটাই পরব, কিন্তু আমি চিরকাল অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত হতে চাই।’

বয়সের প্রতি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি
কারিনা এখন আগের চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেন, ‘আমি ৪০–এ পা দেওয়ার পর সময়টা দারুণ উপভোগ করছি।’ তাঁর মতে, বয়স কোনো দায় নয়, বরং এক প্রাকৃতিক পরিবর্তন, যা এড়িয়ে চলা যায় না। ‘এখন ২০২৬ সাল চলছে...আমার বয়স ৪৬, দুই সন্তানের মা; আমি নিজের লুক নিয়ে খুশি,’ যোগ করেন তিনি।

বয়স নিয়ে সামাজিক চাপের সমালোচনা
কারিনা কাপুর খান মনে করেন, বয়স নিয়ে উদ্বেগ মূলত অস্বীকার থেকে আসে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘আপনি কত দিন বয়সকে এড়িয়ে চলবেন? সমাজে নারীদের বয়স বাড়াকে ভালো চোখে দেখে না। কিন্তু আমি নিজের বয়স বাড়া নিয়ে আনন্দিত।’

কারিনা কাপুর খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে