পাঁচটা ছবি করেনি, কোন ক্রেজ নেই তারাও দেখি বডিগার্ড নিয়ে ঘোরে...

নির্বাচন নিয়ে কথা বলছেন বাপ্পারাজ। ছবি: ফেসবুক থেকে
নির্বাচন নিয়ে কথা বলছেন বাপ্পারাজ। ছবি: ফেসবুক থেকে

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতির কোনো আয়োজন বা পুরস্কার অনুষ্ঠানে প্রায়ই দেখা যায় অনেকেই সঙ্গে দেহরক্ষী নিয়ে আসেন। অনেকেই আবার দর্শকদের মধ্যে তেমন পরিচিতি না পেলেও সঙ্গে দেহরক্ষী রাখেন। এ প্রসঙ্গে এবার কথা বললেন বাপ্পারাজ।
এবার চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন নায়ক বাপ্পারাজ। তিনি এখনো সেই প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছেন।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি শিল্পীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কথা বলেন। শিল্পীদের উদ্দেশে বাপ্পারাজ বলেন, ‘আমরা শিল্পীরা সবাই এক। আমাদের মাঝে কোনো বিভেদ নেই। আমরা সবাই একটি পরিবারের মতো। ইউনাইটেড থাকতে চাই। কিছুদিন আগেও আমরা বসেছিলাম। আমার প্যানেলের ও আমার বিপরীতে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বলেছি, কোনো বিভেদের মধ্যে আমরা যাব না। কেউ কারও বিরুদ্ধে কথা বলব না। কাউকে আঘাত দিয়ে কটু কথা বলব না। আনন্দ–উৎসবের মাধ্যমে নির্বাচন হবে—এইটাই চাই।’

বাপ্পারাজ

এ সময়ে অতীতের কথা স্মরণ করে বাপ্পারাজ জানান, আগে যা হয়েছে সেদিকে আর ফিরে তাকাতে চান না। তিনি আরও বলেন, ‘অতীতে কী হয়েছে, সেটি নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না। যা হয়ে গেছে, হয়ে গেছে। শিল্পীদের একটা সৌন্দর্য আছে, শিল্পীদের যে পরিবেশ থাকে, সেটি যেন এই নির্বাচনের মাধ্যমে আবার অর্জন করতে পারি। সুযোগ পেলে সেই চেষ্টা করতে চাই।’

বিভিন্ন সময় চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রার্থীরা নানা রকম প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। এই নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হন এই নায়ক। শিল্পীদের জন্য কী করতে চান? এমন প্রশ্নে বাপ্পারাজ বলেন, ‘আমি শিল্পী সমিতির সেই ঘরে এখনো বসিনি। ঘরে আগে বসি। ঘরের মধ্যে কী কী সমস্যা আছে, কী ঠিক করতে হবে না হবে, দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই নিয়ে আগেই আমরা এটা করব সেটা করব বলতে চাই না। অনেকেই কথা দিয়ে অতীতে তেমন কিছু করেনি। এ ধরনের প্রতিশ্রুতি থেকে আমরা বের হয়ে আসব।’

সহশিল্পীদের সঙ্গে বাপ্পারাজ। ছবি: ফেসবুক থেকে

সাম্প্রতিক সময়ে শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই প্রসঙ্গে বাপ্পারাজ বলেন, ‘শিল্পীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়ে কখনোই তেমন কিছু ছিল না। বিগত কিছু সময়ে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে অতীতে নিজেদের শক্তিমত্তা জাহির করার জন্য হয়তো নিরাপত্তা বাহিনীকে আনা হয়েছিল। আমাদের শিল্পীদের কিন্তু নিরাপত্তার দরকার নেই। আমরা তো কোনো দিন বডিগার্ড নিয়ে ঘুরি না। কিন্তু যারা কোনো ছবি করেনি, পাঁচটি সিনেমা করেনি, যাদের কোনো ক্রেজ নেই তারা দুই–তিনটা বডিগার্ড নিয়ে ঘোরে! আমরা বডিগার্ড নিয়ে ঘুরি না, এর দরকারও হয় না।’