‘প্লেবয়’ ম্যাগাজিনের প্রথম সংখ্যায় প্রচ্ছদ ছিলেন তিনি

বেঁচে ছিলেন মোটে ৩৬ বছর। এর মধ্যেই হয়ে উঠেছিলেন হলিউডের সেরা তারকাদের অন্যতম। আজ থেকে প্রায় ছয় দশক আগে মৃত্যু হলেও তিনি এখনো সমান প্রাসঙ্গিক। গত মাসেই রেকর্ড দামে বিক্রি হয়েছে তাঁর একটি আলোকচিত্র। গত ১ জুন ছিল তাঁর জন্মদিন। চলুন জেনে নিই তাঁর সম্পর্কে কিছু তথ্য।

পাঠকের ভোটে তাঁকে ‘সেক্সিয়েস্ট ওম্যান অব দ্য সেঞ্চুরি’ তকমা দেয় পিপল সাময়িকী
ছবি: সংগৃহীত
জীবনের প্রথম মডেলিংয়ের কাজ থেকে মাত্র পাঁচ ডলার পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন তিনি
১৯৫৩ সালে প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রথম সংখ্যায় প্রচ্ছদ ছিলেন তিনি।
তিনি মেরিলিন মনরো। ১৯৬২ সালে মৃত্যুর সময় মনরোর ছবি ২০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। ২০২১ সালের বাজার মূল্যে যে অর্থের পরিমাণ দুই বিলিয়ন।
মনরোর রহস্যের যেন শেষ নেই। তাঁকে নিয়ে এ পর্যন্ত লেখা হয়েছে ছয় শতাধিক বই
মেরিলিন মনরো বয়স ১৯ হওয়ার আগেই ২ বার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।
ব্যক্তিগত লাইব্রেরি ছিল তাঁর। পড়তেও ভালোবাসতেন। তাঁর এই ব্যক্তিগত লাইব্রেরিতে ছিল চার শতাধিক বই।
মেরিলিন প্রথম বিয়ে করেন ১৬ বছর বয়সে, ১৯৪২ সালে। বিয়ে করে স্কুল ছেড়ে দেন
ইনসিগনিফিকেন্ট ছবিতে আইনস্টাইনের কক্ষে মেরিলিন মনরো
মেরিলিন মনরোকে নিয়ে শ্যানেল ফাইভ বেশি কিছু বিজ্ঞাপনও বানিয়েছে
বঁাম থেকে রবার্ট কেনেডি (ববি), মেরিলিন মনরো ও জন এফ কেনেডি। ১৯৬১ সালের ১৯ মে ম্যাডিসন স্কয়ারে প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির জন্মদিনে মেরিলিন মনরো ‘হ্যাপি বার্থডে মিস্টার প্রেসিডেন্ট’ গেয়ে শোনান। কেনেডির সঙ্গে ১৯৫১ সাল থেকেই সখ্য মনরোর