সিনেমার প্রিমিয়ারে মার্গো রবি। এএফপি
সিনেমার প্রিমিয়ারে মার্গো রবি। এএফপি

সমালোচক নয় দর্শকের কথা ভাবেন রবি

মুক্তির আগে ও পরে অনেক বিতর্ক হলেও বক্স অফিসে ভালোই করছে ‘ওয়েদারিং হাইটস’। ১৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তির পর এ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ৫১ মিলিয়ন ডলার ব্যবসা করেছে। এই সাফল্যে খুশি ছবির অভিনেত্রী মার্গো রবি। এক সাক্ষাৎকারে রবি বলেন, তিনি সিনেমা বানান দর্শকদের জন্য, সমালোচকদের জন্য নয়।
‘আমি সব সময় দর্শকের কথা ভাবি। কখনো সেটে দাঁড়িয়ে ভাবিনি—সমালোচকেরা কী ভাববেন? ভাবি, দর্শককে কি এই আবেগ ছুঁয়ে যাবে? আমি বিশ্বাস করি, সিনেমা বানানো উচিত সেই মানুষদের জন্য, যারা টিকিট কেটে হলে এসে সিনেমা দেখেন’, বলেন তিনি।

এমেরাল্ড ফেনেলের ছবিটি মুক্তির আগে পর্দায় রবি ও জ্যাকব এলর্ডির রসায়ন নিয়েও বিস্তর কথা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে রবি বলেন, ‘শুটিংয়ের সময় খুব দ্রুতই আমরা পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলাম। এটা নতুন কিছু নয়, আমি যাদের সঙ্গে কাজ করি, তাদের সঙ্গে খুব দ্রুতই ঘনিষ্ঠ হয়ে যাই। কাজ শেষ হলে আমার ভীষণ খারাপ লাগে।’ রবি জানান, শুটিংয়ের প্রথম কয়েক দিন এলর্ডি প্রায়ই তাঁর আশপাশেই থাকতেন, ঠিক যেন উপন্যাসের হিথক্লিফ চরিত্রের মতো।

‘ওয়েদারিং হাইটস’ সিনেমার প্রিমিয়ারে মার্গো রবি। এএফপি

তৃতীয় দিনের মাথায় রবি নিজেই খেয়াল করেন, তিনি চারপাশে তাকিয়ে দেখছেন এলর্ডি কোথায় আছেন। যদি তিনি কাছে না থাকেন, তাহলে ‘অস্থির’ লাগত। রবির প্রশংসায় পঞ্চমুখ এলর্ডিও। তিনি বলেন, ‘আপনি যদি রবির সঙ্গে একই সেটে থাকেন, তাহলে সব সময় ৫ থেকে ১০ মিটারের মধ্যে থাকার চেষ্টা করবেন। তিনি কীভাবে চা খান, কীভাবে খাবার খান—সবই শেখার মতো। তিনি এই সময়ের শীর্ষ অভিনেত্রীদের একজন।’ তিনি আরও যোগ করেন, শুটিংয়ের সময় তাঁদের মধ্যে একধরনের ‘পারস্পরিক মোহ’ তৈরি হয়েছিল, যা পর্দার রসায়নকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে।

রবি আরও যোগ করেন, ‘পরিচালক এমন এক পরিবেশ তৈরি করেন, যেখানে আপনি নিজের সেরা কাজটা করতে পারেন। দুর্দান্ত চিত্রনাট্য, অসাধারণ সেট, চমৎকার সহশিল্পী—সব মিলিয়ে আমরা সফল হওয়ার জন্য প্রস্তুতই ছিলাম। তার ওপর বাস্তব জীবনেও আমরা ভালোভাবে মিলেমিশে থাকি। তাই কাজটা ছিল নিখাদ আনন্দের।’

পিপলডটকম অবলম্বনে