ব্ল্যাকপিংক তারকা জেনি
ব্ল্যাকপিংক তারকা জেনি

জেনির নামে ছড়ানো ভিডিও নিয়ে বিতর্ক

ব্ল্যাকপিংকের সদস্য জেনির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এতে জেনিকে মঞ্চে নাচার সময় পোশাকের কারণে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে দেখা যায় বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ভিডিওটি আসল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

ভিডিওটি জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত সামার সনিক ২০২৬ উৎসবে জেনির পরিবেশনার বলে দাবি করা হচ্ছে। ১৪ আগস্ট টোকিও পর্বে জেনি পারফর্ম করেন। সামার সনিকের টোকিও ও ওসাকা—দুই পর্বেই তিনি অংশ নেন।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কেউ কেউ ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি করেছেন। আবার অনেকে বলেছেন, ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি হতে পারে।

ব্ল্যাকপিংক তারকা জেনি

ভিডিওটি যদি জেনির অনুমতি ছাড়া তৈরি করা ডিপফেক হয়, তাহলে দক্ষিণ কোরিয়ার আইনে এর জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে আইন সংশোধন করে ডিপফেকের বিরুদ্ধে শাস্তি আরও কঠোর করা হয়।

কারও মুখ, শরীর বা কণ্ঠ ব্যবহার করে যৌন হয়রানিমূলক ডিপফেক ভিডিও তৈরি করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ কোটি ওন জরিমানা হতে পারে। এমন ভিডিও রাখা, কেনা, সংরক্ষণ বা দেখার জন্যও সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড বা তিন কোটি ওন জরিমানার বিধান রয়েছে।

কে-পপ তারকারা সাম্প্রতিক সময়ে ডিপফেকের বড় লক্ষ্য হয়ে উঠেছেন। ২০২৪ সালে কোরিয়া কমিউনিকেশনস স্ট্যান্ডার্ডস কমিশন জানায়, কে-পপ তারকাদের নিয়ে তৈরি যৌন হয়রানিমূলক ডিপফেক ভিডিও আগের বছরের তুলনায় চার গুণ বেড়েছে।
মার্কিন সাইবার নিরাপত্তাপ্রতিষ্ঠান সিকিউরিটি হিরোর তথ্য উদ্ধৃত করে ২০২৪ সালে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ডিপফেক পর্নোগ্রাফির সবচেয়ে বেশি শিকার হওয়া ১০ জনের মধ্যে আটজনই কে-পপ শিল্পী।

তবে জেনিকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি সত্যিই ডিপফেক কি না, এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাই যাচাই না করে ভিডিওটি ছড়িয়ে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে।

কোরিয়া জুং-আং ডেইলি অবলম্বনে