সাংস্কৃতিক অঙ্গনের যাঁরা পাচ্ছেন একুশে পদক

সরকার দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২৪ বিশিষ্ট নাগরিককে ২০২২ সালের একুশে পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। একনজরে ছবিতে দেখে নিই সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কারা পাচ্ছেন এই পুরস্কার।
শিল্পকলা শাখায় নৃত্যে ২০২২ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন জিনাত বরকতউল্লাহ
ছবি: সংগৃহীত
সংগীতে অবদান রাখার জন্য মরণোত্তর একুশে পদক পাবেন নজরুল ইসলাম বাবু। ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’, ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’, ‘আমায় গেঁথে দাও না মা গো, একটা পলাশ ফুলের মালা’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের গীতিকার তিনি
শিল্পকলা শাখা হিসেবে সংগীতে একুশে পদক পাচ্ছেন ইকবাল আহমেদ। ‘হিমালয় থেকে সুন্দরবন’, ‘জনতার সংগ্রাম চলবে’, ‘চলছে মিছিল চলবে’সহ একাধিক গণসংগীত গেয়েছেন তিনি
মাহমুদুর রহমান বেণুও সংগীতে একুশে পদক পেয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থা’ গানের দলটি মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে ক্যাম্পে গান শুনিয়ে উজ্জীবিত করত। সেই দলের দলনেতা ছিলেন মাহমুদুর রহমান। পরে তাদের ওপর লিয়ার লেভিনের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে ‘মুক্তির গান’ নামে একটি তথ্যচিত্র বানিয়েছিলেন তারেক মাসুদ
দর্শকের পছন্দের অভিনেতা খালেদ খান পাচ্ছেন মরণোত্তর একুশে পদক। ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ৫৭ বছর বয়সে মারা যান খালেদ মাহমুদ খান
অভিনেতা আফজাল হোসেন অভিনয়ের জন্য পেয়েছেন একুশে পদক। ১৯৫৪ সালে সাতক্ষীরা জেলার পারুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি
৭. অভিনেতা মাসুম আজিজ অভিনয়ের জন্য একুশে পদক পাচ্ছেন। নাটকে অভিনয়ের জন্য তিনি জনপ্রিয়। ‘সনাতন গল্প’ নামে সরকারি অনুদানের একটি সিনেমা বানিয়েছেন তিনি। ‘ঘানি’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য ২০০৬ সালে পার্শ্বচরিত্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান এই অভিনেতা