
অভিনেতা জাহিদ হাসানের জন্মদিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মজার এক স্মৃতি ভক্তদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন অভিনেতা রওনক হাসান। থিয়েটারের শুরুর দিকের সেই স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে কীভাবে ভারতের ত্রিপুরার কমলপুরে তিন দিন ‘জাহিদ হাসানের ছোট ভাই’ হিসেবে বাড়তি খাতির পেয়েছিলেন, সেই মজার স্মৃতি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে রওনক হাসান লিখেছেন, ‘তখন মাত্র থিয়েটার শুরু করেছি। কিছুদিন পরেই ত্রিপুরার কমলপুরে দলের হয়ে শো করতে গিয়েছিলাম। এটা ছিল আমার ক্যারিয়ারের ভিন্ন অভিজ্ঞতা। বর্ডারে যখন সেখানকার থিয়েটারের লোকজন আমাদের রিসিভ করল, তখন একজন নাম জানতে চাইলে বললাম, রওনক হাসান।’
নামের এই ‘হাসান’ ঘিরেই সেদিন ঘটে যায় মজার ঘটনা। সেই দিনগুলো এখনো স্মরণীয় হয়ে রয়েছে এই অভিনেতার কাছে। মজা করে রওনক হাসান বলেন,‘দলের সবাই আমরা নামলাম। এর কিছু সময় পরেই নাম জিজ্ঞাসা করলেন। হাসান বলায় তিনি কিছুটা চিন্তিত। তখন সেখানকার একজন বলে উঠল, “আপনি কি জাহিদ হাসানের ভাই?” আমি কিছু বলার আগেই আমার দলের একজন বলে উঠল, “আরে জাহিদ হাসানের ছোট ভাই ও। দেখেন না, হাইট, চেহারা।”
তখন বাংলাদেশে জাহিদ হাসান তুমুল আলোচিত নাম। নাটক থেকে তাঁর পরিচিতি বাড়তে থাকে। সেই অভিনেতা ভাই বলে কথা। রওনক জানালেন, এরপর থেকেই বদলে যায় তাঁর আতিথেয়তা। রওনক বলেন, ‘এরপর থেকে সে কী খাতির, সেবা-যত্ন! জাহিদ হাসানের ছোট ভাই হয়ে তিন দিন বেশ আরাম-আয়েশে থেকে, শো করে এলাম।’
তবে ঘটনাটি শুধু মজার স্মৃতি হয়েই থাকেনি। একসময় জাহিদ হাসানের সঙ্গে রওনকের সত্যিকারের পরিচয় হয়। কারণ, তখনো টেলিভিশনে অভিনয় শুরু করেননি রওনক। পরে জাহিদ হাসানের সঙ্গে পরিচয় হলে তাঁদের মধ্যে গড়ে ওঠে বড়–ছোট ভাইয়ের মতো সম্পর্ক। রওনক বলেন, ‘একসময় জাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় হলো। এবং বিস্ময়করভাবে তিনি সত্যি সত্যিই বড় ভাই হয়ে গেলেন। সেই প্রথম পরিচয়ের পর সম্পর্কটা এখনো আগের মতোই আছে। শুভ জন্মদিন বড় ভাই। আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ কর্মজীবন কামনা করছি।’