কীভাবে এল

থার্মোমিটার

থার্মোমিটার
থার্মোমিটার

শরীরের তাপমাত্রা মাপতে থার্মোমিটার ব্যবহৃত হয় সারা পৃথিবীতেই। দৈনন্দিন জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই যন্ত্রটির উদ্ভব হয় ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে। ভেনিস বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন চিকিৎসক পৃথিবীর প্রথম থার্মোমিটার সম্পর্কে লিখেছিলেন নিচের কথাগুলো—
‘আমাদের কাছে এমন একটি জিনিস আছে, যা শুধু ঠান্ডা-গরমের মাত্রা পরিমাপেই ব্যবহৃত হয় না, ওই জিনিসটি দিয়ে মানুষের শরীরের যেকোনো অংশের ঠান্ডা বা গরমের প্রতিটি ডিগ্রির হিসাব রাখা যায়।’
পৃথিবীর প্রথম থার্মোমিটারটি তৈরি হয়েছিল রাবারের একটি টিউব দিয়ে। টিউবটির একেবারে মাথায় লাগানো ছিল একটি ভাল্ব। টিউবের ভেতর সংরক্ষিত তরল পদার্থ দিয়েই পরিমাপ করা হতো ঠান্ডা ও গরমের মাত্রা। ভাল্বটি ওপরে-নিচে উঠে-নেমে তাপমাত্রার পরিমাপ জানিয়ে দিত।
১৬১১ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভেনিস বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই চিকিৎসক কখনোই থার্মোমিটারের উদ্ভাবক হিসেবে নিজের প্রচারণা চালাননি। তিনি তাঁর উদ্ভাবিত থার্মোমিটারটি শুধু শ্রেণিকক্ষে তাঁর ছাত্রদের পড়ানোর সময়ই ব্যবহার করতেন। তিনি থার্মোমিটারের নির্দিষ্ট নকশাটি গ্যালিলিওর থার্মোস্কোপকে অনুসরণ করে তৈরি করেছিলেন কি না, সেটাও জানা যায়নি।
পেঙ্গুইন বুক অব ফার্স্ট অবলম্বনে নাইর ইকবাল