শ্বাস মাপার যন্ত্র পিক ফ্লো মিটার
শ্বাস মাপার যন্ত্র পিক ফ্লো মিটার

শ্বাস মাপার যন্ত্র পিক ফ্লো মিটার কেন ও কীভাবে ব্যবহার করা যায়

শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে কি না, শুধু উপসর্গ দেখে সব সময় তা বোঝা যায় না। এ ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে পিক ফ্লো মিটার। ফুসফুস থেকে কত দ্রুত বাতাস বের করতে পারছেন, ছোট যন্ত্রটি তা পরিমাপ করে। বিশেষ করে অ্যাজমা বা হাঁপানি আছে, এমন ব্যক্তিদের জন্য এটি কাজের যন্ত্র।

পিক ফ্লো মিটারের মাধ্যমে নিয়মিত রিডিং নিলে শ্বাসনালি সরু হয়ে আসছে কি না, অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, এসব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

ব্যবহারের সময় প্রথমে যন্ত্রের সূচকটি হাত দিয়ে টেনে স্কেলের শূন্য বা সর্বনিম্ন অবস্থানে আনতে হয়। এরপর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গভীরভাবে শ্বাস নিয়ে মাউথপিসটি ঠোঁট দিয়ে ভালোভাবে আটকে একবারে যত জোরে ও দ্রুত সম্ভব ফুঁ দিতে হয়।

ফুঁ দেওয়ার পর কাঁটাটি যেখানে থামবে, সেই সংখ্যাটি লিখে রাখতে হবে। এভাবে পরপর তিনবার মাপতে হবে এবং তিনটির মধ্যে সবচেয়ে বেশি রিডিংটি ফলাফল হিসেবে নিতে হবে।

সম্ভব হলে প্রতিদিন একই সময়ে মাপলে রিডিংয়ের পরিবর্তন সহজে বোঝা যায়। পিক ফ্লোর রিডিং সবার ক্ষেত্রে এক রকম হয় না। বয়স, উচ্চতা, লিঙ্গ এবং দিনের কোন সময়ে মাপা হচ্ছে—এসব বিষয়ের ওপর রিডিং ভিন্ন হতে পারে।

সূত্র: এনএইচএস, আমেরিকান লাং অ্যাসোসিয়েশন, আমেরিকান একাডেমি অব অ্যালার্জি, অ্যাজমা অ্যান্ড ইমিউনোলজি