ঝালকাঠি জেলার ভিমরুলীতে ভাসমান পেয়ারার বাজারে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের কাছে বউদির ভাসমান হোটেল পরিচিত এক নাম। ছুটির দিন বা বিশেষ পার্বণ ছাড়াও বউদির এই ভাসমান হোটেলে ভোজনরসিকদের ভিড় থাকে সব সময়। হোটেলটির স্বত্বাধিকারী এবং পাচক সাথী রায় শিলপাটায় বাটা মসলা, শর্ষের তেল ও কাঠের চুলায় রান্না করে থাকেন। নকশার পাঠকদের জন্য তুরির রেসিপি দিলেন সাথী রায়

উপকরণ: বড় কাঁঠালি চিংড়ি ১০-১৫টি, লবণ পরিমাণমতো, শিলপাটায় বাটা শর্ষে ১ টেবিল চামচ, শিলপাটায় বাটা কাঁচা মরিচ ১ টেবিল চামচ, শিলপাটায় বাটা জিরা ১ টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া দেড় টেবিল চামচ, গুঁড়া মরিচ ২ টেবিল চামচ, নারকেলবাটা ৪ টেবিল চামচ, শর্ষের তেল আধা কাপ, চিনি সামান্য ও কলাপাতা ২ টুকরা।
প্রণালি: চিংড়িগুলো পরিমাণমতো লবণ দিয়ে মেখে নিন। বেটে নেওয়া শর্ষে, কাঁচা মরিচ ও জিরা (তিন চামচ দিলে ভালো হয়) চিংড়ির সঙ্গে মেশান। এরপর হলুদের গুঁড়া ও মরিচের গুঁড়া দিতে হবে। শর্ষের তেল দিয়ে ভালো করে চিংড়িগুলো মেখে নিন। সঙ্গে সামান্য একটু চিনি দিলে অন্যান্য মসলার গুণগত মান ভালো থাকবে। একটি কলাপাতায় ভালো করে শর্ষের তেল মেখে চিংড়িগুলো হাত দিয়ে গোল করে বিছিয়ে দিন। শর্ষের তেল দিয়ে চিংড়ি রাখা কলাপাতাটি প্যানের ওপর রেখে দিন। ঢেকে দিয়ে ভাপে সেদ্ধ করতে হবে। ১০-১৫ মিনিট পর সেদ্ধ হলে আরেকটি কলাপাতা প্যানে দিয়ে চিংড়িগুলো উল্টে দিন। এভাবে ওপরের কাঁচা অংশ আবার ভাপে সেদ্ধ করতে হবে। ১০ মিনিট রেখে দিলেই হয়ে যাবে চিংড়ির পাতুরি।