
বর্ষা শেষ হওয়ার পর গ্রামবাংলার খাল-বিল, নদী-নালা ও জলাশয়ে ধীরে ধীরে পানি কমতে শুরু করে। এ সময় অনেক এলাকায় দেশি কুচো চিংড়ি সহজলভ্য হয়ে ওঠে। বাজারেও মৌসুমি কুচো চিংড়ি পাওয়া যায় বলে এই সময়টায় অনেকেই কুচো চিংড়ির ভুনা করে থাকেন। কুচো চিংড়ির লাল ঝাল ভুনার রেসিপি দিয়েছেন শাহনাজ সেতু
কুচো চিংড়ি ২৫০ গ্রাম
পেঁয়াজকুচি দুই কাপ
টমেটোকুচি আধা কাপ
রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ
আদাবাটা ১ চা–চামচ
কাঁচা মরিচ ৪–৫টি
মরিচগুঁড়া দেড় চা–চামচ
হলুদ আধা চা–চামচ
জিরাগুঁড়া আধা চা–চামচ
লবণ স্বাদমতো
শর্ষের তেল আধা কাপ
টমেটো ১টি ছোট (ঐচ্ছিক)
ধনেপাতা সামান্য
কুচো চিংড়ি ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। সামান্য লবণ ও হলুদ মাখিয়ে রাখুন।
কড়াইয়ে বাকি শর্ষের তেল দিয়ে পেঁয়াজ দিন। ভালো করে লালচে বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
এরপর টমেটোকুচি দিয়ে একটু ভাজুন। নরম হলে মরিচগুঁড়া দিন।
একটু ভেজে রসুন ও আদাবাটা দিয়ে ভাজুন। ধনে, জিরা ও হলুদ সামান্য পানি দিয়ে ভালো করে কষান।
চিংড়ি দিয়ে মসলার সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে কম আঁচে ৫–৭ মিনিট ভুনে নিন।
তেল আলাদা হয়ে এলে কাঁচা মরিচ দিন। শেষে ধনেপাতা দিয়ে চুলা বন্ধ করুন।
চাইলে অল্প লবণ–হলুদ মেখে মাছ সামান্য ভেজেও নিতে পারেন।
তবে বেশি পেঁয়াজে অনেকক্ষণ ভুনা হয় বলে না ভাজলেও স্বাদ ভালো হয়।
এই রান্নায় মরিচ বেশি দিলেই মজা।