
একটা সময় ছিল আমাদের এখানে সাবুদানাকে মনে করা হতো শুধু রোগীর পথ্য। অথচ এই সাবুদানা দিয়েই কিন্তু বানানো যায় মজাদার নানা পদ। রেসিপি দিয়েছেন অসিত কর্মকার
উপকরণ
পছন্দমতো সবজিকুচি: দেড় কাপ
আলু গ্রেট করা: আধা কাপ
সাবুদানা: ১ কাপ
আদাকুচি বা বাটা: ১ চা-চামচ
কুচানো কাঁচা মরিচ: ৩-৪টি
ধনেপাতাকুচি: ৩ টেবিল চামচ
বেসন বা চালের গুঁড়া: ৩-৪ টেবিল চামচ
গোটা জিরা: আধা চা–চামচ
হলুদগুঁড়া: আধা চা-চামচ
মরিচের গুঁড়া: আধা চা-চামচ
চাট মসলা: ১ চা-চামচ
চিনাবাদাম: ২ টেবিল চামচ (আধভাঙা করে ভাজা)
জোয়ান: আধা চা-চামচ
লবণ: স্বাদমতো
সাদা তেল: পরিমাণমতো
প্রণালি
সাবুদানা ভালো করে ধুয়ে তিন–চার ঘণ্টা অল্প পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পানি শুষে দানাগুলো হয়ে উঠবে ঝরঝরে। গ্রেট করা আলু ও অন্যান্য সবজি কাটার পর হাত দিয়ে চিপে অতিরিক্ত পানি ফেলে দিন। সবজিতে পানি বেশি থাকলে পাকোড়া মুচমুচে হবে না। একটি বড় পাত্রে সাবুদানা, সবজি, আদা, কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতাকুচি একসঙ্গে নিন। এবার ওই পাত্রে বেসন বা চালের গুঁড়া, গোটা জিরা, হলুদ, মরিচের গুঁড়া, চাট মসলা, বাদাম, জোয়ান ও লবণ দিন। হাত দিয়ে চেপে চেপে সব উপকরণ খুব ভালো করে মেখে নিন। কড়াইতে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল মাঝারি আঁচে ভালো করে গরম করে নিন। মিশ্রণটি থেকে অল্প অল্প অংশ নিয়ে ছোট ছোট পাকোড়ার আকারে তেলের মধ্যে ছাড়ুন। মাঝারি আঁচে উল্টেপাল্টে সোনালি এবং একদম মুচমুচে না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। একবারে খুব বেশি পাকোড়া কড়াইতে দেবেন না। ভাজা হয়ে গেলে তেল ছেঁকে নিন। কিচেন টিস্যুর ওপর তুলে রাখুন। ওপর থেকে সামান্য বিট লবণ বা চাট মসলা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।