আবার সুযোগ পেলে কোথায়, কী নিয়ে পড়তাম

কয় দিন আগেই প্রকাশিত হয়েছে এইচএসসির ফলাফল। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পালা। কোথায় পড়ব, কোন বিষয়টি বেছে নেব—এ সিদ্ধান্ত নেওয়া এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে কঠিন। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কারণে দ্রুত বদলে যাচ্ছে কাজের জগৎ। যাঁরা এরই মধ্যে বিভিন্ন পেশায় প্রতিষ্ঠিত, পরিবর্তনগুলো কাছ থেকে দেখছেন, তাঁদের কী মত? আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলে তাঁরা কোন বিষয়ে পড়তেন? শুনুন ছয় পেশাজীবীর কথা।

সুযোগ পেলে আবারও বিবিএ পড়তাম: আয়মান সাদিক

আয়মান সাদিক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, টেন মিনিট স্কুল
ছবি: আয়মানের সৌজন্যে

আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলে আমি বিবিএ–ই পড়তাম। ছোটবেলা থেকেই যে উদ্যোক্তা হতে চেয়েছি, তা নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর বিবিএ পড়তে গিয়েই উদ্যোক্তা হওয়ার প্রতি আমার আগ্রহ বেড়েছে। এখন সেই আগ্রহ আরও বেশি। তাই নতুন করে পড়ার সুযোগ পেলেও এই বিষয়ই বেছে নিতাম।

বিবিএর একটা বড় সুবিধা হলো, এখানে ব্যবসার নানা দিক সম্পর্কে জানার সুযোগ আছে। অ্যাকাউন্টিং, ফিন্যান্স, মার্কেটিং, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, কৌশলগত ব্যবস্থাপনা—সব বিষয়েই কিছু না কিছু শেখা যায়। ইংরেজিতে একটা কথা আছে, ‘জ্যাক অব অল ট্রেডস, মাস্টার অব নান’। অর্থাৎ সব কাজ সম্পর্কে কিছুটা জানা, কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো কাজে বিশেষজ্ঞ না হওয়া। আমার অবস্থাও অনেকটা এমন।

বিবিএতে শুধু বই পড়ে শিখতে হয় না। কেস স্টাডি, প্রেজেন্টেশন, বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তব ব্যবসায়িক সমস্যার সমাধান করতেও শেখানো হয়। একজন উদ্যোক্তার জন্য এই অভিজ্ঞতা বেশ কাজের।

আরেকটি বড় প্রাপ্তি হলো মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় নানা ধরনের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হয়। ব্যবসায় নেমে বুঝেছি, এই যোগাযোগ কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

যাঁরা ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হতে চান কিংবা করপোরেট জগতে ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাঁদের জন্য বিবিএ ভালো একটি পছন্দ হতে পারে।

মানবিক দক্ষতাকে প্রাধান্য দিতাম: আব্দুল কাইয়ুম

আব্দুল কাইয়ুম, হেড অব কমিউনিকেশনস, ইউএনডিপি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়েছি। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলে এমন কোনো বিষয় বেছে নিতাম, যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি মানবিক দক্ষতা বা সফট স্কিলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। যেমন নেতৃত্ব, যোগাযোগ, যুক্তি দিয়ে চিন্তা করা, সমস্যা সমাধান, আবেগ বোঝা ও নিয়ন্ত্রণ করা, দর-কষাকষি, কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ইত্যাদি। বিবিএ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, উন্নয়ন অধ্যয়ন, এমন নানা বিষয়েই সফট স্কিলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কেন এসব দক্ষতাকে গুরুত্ব দিচ্ছি? কারণ, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নতির ফলে অনেক কাজই এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা যাচ্ছে। ভবিষ্যতে হয়তো আরও অনেক কাজ প্রযুক্তির সাহায্যে করা সম্ভব হবে। কিন্তু মানুষের এমন কিছু গুণ আছে, যা প্রযুক্তি পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করতে পারে না।

ধরুন, একটি প্রতিষ্ঠানে জটিল কোনো সমস্যা দেখা দিল। শুধু কারিগরি জ্ঞান থাকলেই সেই সমস্যার সমাধান হবে না। পরিস্থিতি বুঝতে হবে, সহকর্মীদের কথা শুনতে হবে, সবাইকে নিয়ে কাজ করতে হবে। কখনো কঠিন সিদ্ধান্তও নিতে হবে। এ জন্য নেতৃত্ব, যোগাযোগ ও আবেগপূর্ণ বুদ্ধিমত্তার মতো দক্ষতা জরুরি।

আবার ব্যবসা, কূটনীতি কিংবা সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও দর-কষাকষি ও কৌশলগত চিন্তার গুরুত্ব অনেক। দ্রুত বদলে যাওয়া পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাও থাকতে হবে।

তাই আমার পরামর্শ, বিশ্ববিদ্যালয়ে যে বিষয়েই পড়ুন না কেন, মানবিক দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিন। শুধু ডিগ্রি নয়, ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে এসব দক্ষতাই আপনাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলবে।

গবেষণার সুযোগ আছে, এমন বিষয়ে পড়তে চাইতাম: বুশরা হুমায়রা

বুশরা হুমায়রা, জ্যেষ্ঠ প্রভাষক, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস (এমআইএস) বিষয়ে পড়েছি। এরপর দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত আছি। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলে সাংবাদিকতা পড়তে চাইতাম।

বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায় থেকেই বিভিন্ন ক্লাব ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। সেই সূত্রে নানা পেশার মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে। মানুষের সঙ্গে মেশা, নতুন কিছু জানা, বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া, এসব আমার ভালো লাগে।

সাংবাদিকতা পেশার চ্যালেঞ্জগুলোও আমাকে আকর্ষণ করে। নতুন কোনো বিষয় নিয়ে লেখা, সংবাদ খুঁজে বের করা কিংবা একটি সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন অনুসন্ধান করার মধ্যে আলাদা আনন্দ আছে।

তবে সাংবাদিকতার পাশাপাশি অর্থনীতি, স্বাস্থ্যনীতি, রাজনীতি কিংবা আর্থসামাজিক কোনো গবেষণাধর্মী বিষয়েও পড়তে আগ্রহী হতাম।

আমার মনে হয়, গবেষণার জগতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ এখন অনেক বিস্তৃত। আগে গবেষণা বলতে মূলত বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাজ বোঝানো হতো। এখন করপোরেট প্রতিষ্ঠান, নীতিনির্ধারণী সংস্থা, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও গবেষণা সংস্থাতেও কাজের সুযোগ আছে।

কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতাম: ফাহিম আহমেদ

ফাহিম আহমেদ, সিইও, পাঠাও লিমিটেড

আমি যুক্তরাষ্ট্রের মিডলবারি কলেজ থেকে অর্থনীতি ও ধর্ম বিষয়ে স্নাতক করেছি। এরপর বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছি। ২০১৮ সালে পাঠাওতে প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা বা সিএফও হিসেবে যোগ দিই।

নিজের পড়াশোনা ও কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা থেকে আমার মনে হয়, উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর সবার বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই; বরং অধিকাংশ শিক্ষার্থীর কারিগরি ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

বিশেষ করে হাতে-কলমে কাজ শেখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এমন অনেক কাজ আছে, যেগুলো শিখতে প্রথাগত বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির চেয়ে বাস্তব প্রশিক্ষণ বেশি কাজে আসে।

আর যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেই হয়, তাহলে পড়া, লেখা ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি। যদিও এসব দক্ষতা উচ্চমাধ্যমিকের আগেই অর্জন করা উচিত। এই ভিত্তি মজবুত হলে যুক্তি দিয়ে চিন্তা এবং কোনো বিষয় গভীরভাবে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও তৈরি হয়।

বর্তমান সময়ে কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষার সুযোগ অনেক বিস্তৃত। তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক ডিজাইনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে হাতে-কলমে কাজ শেখা যায়। এসব দক্ষতা সরাসরি কর্মক্ষেত্রে কাজে লাগানোর সুযোগও আছে।

প্রথাগত পড়াশোনায় অনেক সময় তাত্ত্বিক জ্ঞানের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তব কর্মক্ষেত্রে কাজ করতে গেলে ব্যবহারিক দক্ষতাও প্রয়োজন। তাই শুধু একটি ডিগ্রি অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক বছর কাটানোর চেয়ে কোন দক্ষতা অর্জন করলে কর্মজীবনে পা রাখা যাবে, সেটা ভাবা বেশি জরুরি।

কারিগরি শিক্ষা একজন তরুণকে দ্রুত কাজ শুরু করতে, আয়ের পথ তৈরি করতে, কিংবা উদ্যোক্তা হতে সাহায্য করতে পারে। আমি তাই তরুণদের কর্মমুখী শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে বলব।

চ্যালেঞ্জিং কাজের জন্য আইন পড়তে চাইতাম: সৈয়দ আবিদ হোসাইন সামি

সৈয়দ আবিদ হোসাইন সামি, ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার

আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলে প্রথমেই দেখতাম, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় খেলার মাঠ আছে! আমি ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশলে পড়েছি। নতুন করে পড়তে পারলে আমার প্রথম পছন্দ হতো স্পোর্টস সায়েন্স। কিন্তু দেশে এ বিষয়ে পড়ার সুযোগ খুবই সীমিত। তাই বিকল্প হিসেবে আইন বেছে নিতাম।

আইন পড়ার প্রতি আগ্রহের বড় কারণ ‘যোগাযোগের দক্ষতা’। আমার মনে হয়, এই বিষয়ে পড়লে মানুষের সঙ্গে কথা বলা, যুক্তি দিয়ে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন এবং জটিল বিষয় বিশ্লেষণ করার দক্ষতা বাড়ে।

এই পেশাকে আমার বেশ চ্যালেঞ্জিংও মনে হয়। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সমস্যা নিয়ে ভাবতে হয়। শুধু আদালতে মামলা পরিচালনা করাই নয়, আইনের জ্ঞান কাজে লাগানোর আরও অনেক ক্ষেত্র আছে।

ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা কিংবা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে আইন বিষয়ে পড়া মানুষের কাজের সুযোগ আছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, আইন পড়লে দেশের সংবিধান, বিচারব্যবস্থা ও নাগরিক অধিকার সম্পর্কে জানার সুযোগ পাওয়া যায়। সমাজের নানা অসংগতি দূর করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা কিংবা মানুষের অধিকার রক্ষায়ও ভূমিকা রাখা সম্ভব।

যাঁরা এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে যাচ্ছেন, তাঁদের আইন পড়ার কথা বিবেচনা করতে বলব। বিশেষ করে যাঁরা যুক্তি দিয়ে কথা বলতে ভালোবাসেন, নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে চান এবং মানুষের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী, তাঁদের জন্য বিষয়টি ভালো হতে পারে।

অর্থনীতি, মনোবিজ্ঞান নিয়ে পড়তে চাই: নাবিলা খালিদ

নাবিলা খালিদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশনস, প্রাইম ব্যাংক পিএলসি

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেনেসি থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ও অস্ট্রেলিয়ার ম্যাককুয়েরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিং ও অ্যাকাউন্টিংয়ে স্নাতকোত্তর করে ২০২১ সালে দেশে ফিরে একটি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানে যোগ দিই।

আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলে ব্যক্তিগত আগ্রহ থেকে সাহিত্য পড়তে চাইতাম। তবে ক্যারিয়ারের বাস্তবতা বিবেচনা করলে অর্থনীতি, মনোবিজ্ঞান কিংবা আচরণবিজ্ঞানের মতো বিষয়ও আমার পছন্দের তালিকায় থাকবে।

আমরা এমন এক সময়ে আছি, যখন প্রযুক্তি শুধু কাজের ধরনই বদলে দিচ্ছে না, অনেক পেশার সংজ্ঞাও নতুন করে তৈরি করছে। আজ যে কাজের জন্য নির্দিষ্ট একটি ডিগ্রি প্রয়োজন, আগামী দশ বছরে তার অনেকটাই হয়তো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে করা সম্ভব হবে।

তাই তরুণদের বলব, শুধু এখন কোন বিষয়ের চাহিদা বেশি, সেটা দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন না; বরং ভাবুন, কোন দক্ষতাগুলো দীর্ঘ মেয়াদে কাজে লাগবে।

ক্যারিয়ারের কথা বিবেচনা করলে কম্পিউটারবিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা সায়েন্স, সাইবার নিরাপত্তা এবং বিজনেস অ্যানালিটিকসের মতো বিষয়ে পড়তে উৎসাহ দেব। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ফিউচার অব জবস রিপোর্ট ২০২৫-এও ভবিষ্যতে কর্মক্ষেত্রের দক্ষতায় বড় পরিবর্তনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

তবে শুধু প্রযুক্তি জানলেই চলবে না। প্রযুক্তি যত উন্নত হবে, মানুষের আচরণ, প্রয়োজন এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া বোঝার গুরুত্বও তত বাড়বে। এ কারণেই মনোবিজ্ঞান, অর্থনীতি ও আচরণবিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলোকে আমি গুরুত্বপূর্ণ মনে করি।

দীর্ঘ করপোরেট অভিজ্ঞতায় দেখেছি, একটি ডিগ্রির চেয়ে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব সমস্যার সমাধানে কতটা কাজে লাগাতে পারছি, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা এমন হওয়া উচিত, যা একজন তরুণকে শুধু প্রথম চাকরির জন্য নয়, বারবার বদলে যাওয়া কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করবে।