আনন্দ ছানতে ছানতে তিতকুটে হয়ে গেলে,
ভূগোলের বাইরেই পুঁতে রাখি গোপন বীজ।
দ্বিতীয় চাঁদের খোঁজে হেঁটে যাই পৃথিবীর বোকা রাস্তায়।
এভাবেই সময়ের নষ্ট স্লোগানে ত্যক্ত ঘাসফুল
মরে যায় অলিখিত অন্ধকারে।
এখানে ঘর বলে যে পুনরাবৃত্তি ঘটে রোজ
বিশ্বাস করি না
পাড়ার লোকে এসে দেখবে বলে রোজ গুছিয়ে রাখো
পরিষ্কার জামা-জুতো, বিছানা, জানলার ধুলো
একাত্মতার মিথ্যে গান গাও
একলা খাঁচায় বসে
এই যে ধার করা জীবন, চিন্তা
বয়ে বেড়ানো গার্হস্থ্য জীবন।
এসবের অর্থ কী?
অতঃপর ঘুম ভাঙে আবার ঘুমানোর বাধ্যতা নিয়ে।
জন্মের দোষে একবার জেগে গেলে অবিরাম দৌড়াতে থাকা।
একটা নতুন দ্বীপের খোলস ছিঁড়ে, বহুদূর এসে
ফিরে তাকায় যে জাহাজ
তার নাম বিব্রত।
এখানে জীবন মানে শুধুই টিকে থাকা
অসংখ্য জন্মের ফ্রেমে টিকে থাকে শুধু
শূন্যতার ডাকনাম।
তোমাকে ফেলে দিলাম পৃথিবীর নীল গর্তে,
অনুভূতির লেজ খসে পড়ে আছে।
ঘাসফুলে বোনা আমার নিজস্ব তুমি,
নৈঃশব্দ্যে রোপণ করি ধার করা আঙিনায়।
হাঁসফাঁস লাগছে, কোথাও কেউ নেই, তবু কে যেন সময়ের গলা টিপে ধরছে।
এত কিছু নিয়েও মানুষ কীভাবে একা
শব্দের কৌশলগত ভুল ব্যবহারে
মাছের লেজ মনে করে আস্ত বিকেল
ধরে ফেলি অলকার জালে।