মার্বেল সিঁড়ি ভেঙে ভেঙে নেমেছি শেষ ধাপে
অন্ধকার গহিনে পথ। গা ছমছম করে
রক্তপায়ী মাকড়েরা সব খোলসে, হাওয়া নেই, তবু নড়ে।
শূন্য থেকে হাত নেমে এসে শ্বাসনালি চেপে ধরে
বুঝে যাই, মুক্তির শেষে খোলা বাতাসে কখনো হবে না
কড়া নাড়ার তালে তালে জ্যোৎস্নার উৎসব
সিঁড়িঘরের জানালায় কুজ্ঝটিকার হাহা রব
ইমারত চৌচির, শতায়ু বৃক্ষ উপড়ে পড়েছে
তাণ্ডব শেষ হলে ধূলি থেকে চারা আর জাগে না
কোনো কালে কুঁড়ির ভিতরে ছিল পদ্ম মনোহর
লৌহফটকে তালা নেই তো আর, স্বপ্নের ভিতরে
এই তো সময় দলেবলে ঘাটে যাওয়ার।
বালিদ্বীপ থেকে আকালে উড়ে এলে সৌরভ,
শুনেছি সারসের কত না মায়া-কলরব
কেন ওরা থেকে যায় বন্ধ্যা নদী ও ধূলিঝড়ে,
জানি না তো মাঝিরা ফসিলে নৌকা ভরে কোথা যায়।
সিঁড়ির শেষে শীতের পিছু পিছু আসে অন্ধকার
না দেখে যেতে পারে কারা এই সব ঠান্ডা সৎকার।