শীত শীত করে খুব বললেন খড়কুটো জ্বালো
আবার চলে গেলে বলে যান যায় দিন ভালো
পূর্বমেঘ উত্তরমেঘ পত্রপাঠ বিদায় হলে পর
পাহাড়ের পাদদেশে শমিত হয় কামুক কলেবর
যৌবন ছায়া দেয় ধবল মেঘের দেহে আজ
বসন্ত বিলম্বে আসো জমা হোক অলেখা চিঠির কারুকাজ
যৌবন যৌবন করে মাটিতে পড়ে না যার পা
রজঃনিবৃত্ত হলেও তিনি কেন টের পান না?
কারণ কোনো মেঘেই ফুরায় না যৌবন দিন
কোনো ঋতু স্বয়ম্ভূ নয়, না পেয়ে পুষ্পের ঋণ
ঋতুর যৌবন যদি বসন্তের ফুলে প্রেম সাধে
বসন্ত ফুরালেও বয়সী প্রণয়ী কেন ধূসর পত্র নিয়ে কাঁদে?