
বাংলাদেশের ত্রিচক্র অর্থনীতির সামনের চাকা হলো রেমিট্যান্স। তবে বিদেশে শ্রমশক্তি প্রেরণে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক আশঙ্কা যুক্ত হয়েছে। বিভিন্ন কারণে শ্রমবাজার সংকুচিত হচ্ছে। শ্রমশক্তি রপ্তানি হ্রাসের সঙ্গে রেমিট্যান্স সেক্টরে যুক্ত হয়েছে বিপুলসংখ্যক অভিবাসী কর্মীর অপ্রত্যাশিত ও অসময়ে ফেরত আসা। স্বাভাবিক বা প্রত্যাশিত ফেরত আসার আগপর্যন্ত অভিবাসী কর্মীরা তাঁদের আয়ের সবটুকু দেশে পরিবার-পরিজনের কল্যাণে পাঠিয়ে দেন এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙা রাখেন।
বাংলাদেশের প্রবাসী কর্মীদের দক্ষতার পর্যায় যেমনই থাকুক না কেন, চাকরিতে নিয়মিত থাকলে রেমিট্যান্সপ্রবাহ আরও বৃদ্ধি পাবে। স্বাভাবিকভাবে কেউ ফেরত এলে তিনি দেশে এসেও নিজের এবং দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার ব্যবস্থা করতে পারেন। কিন্তু সমস্যা হয় যখন কেউ অপ্রত্যাশিতভাবে ফিরতে বাধ্য হয়; কেননা তিনি মানসিক ও অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত থাকেন। গত ১০ বছরে এই প্রত্যাগত অভিবাসীর সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাবে এ সংখ্যা সাম্প্রতিক সময়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।
রেমিট্যান্সপ্রবাহের গুরুত্ব এবং ঊর্ধ্বগতি সৃষ্টিতে সরকারের প্রচেষ্টাও অব্যাহত থাকে। কেননা বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্য দুটি চাকা, অর্থাৎ তৈরি পোশাকশিল্প ও সার্ভিস সেক্টর প্রতিনিয়ত নানাবিধ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটে অর্থনীতির অন্য সব সূচকেই বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। সেই সঙ্গে মোটামুটি স্থিতিশীল রেমিট্যান্স অর্জনেও বিপুলসংখ্যক প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মী আশঙ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছেন।
প্রতি মাসে ছয়-সাত লাখ কর্মী বিদেশে যাওয়ার পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক অভিবাসী কর্মী নথিবিহীন, কর্মহীন, নির্যাতিত, অসুস্থ হয়ে প্রত্যাশিত সময়ের আগেই দেশে ফিরে আসছেন। ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের ২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, গত ছয় বছরে প্রায় পাঁচ লাখ কর্মী অপ্রত্যাশিতভাবে ফেরত এসেছেন। ২০২৬ সালে এ পর্যন্ত এ সংখ্যার হার অনেক বেশি।
বিপর্যস্ত কর্মীদের পক্ষে দ্বারে দ্বারে ঘোরা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ে ন্যূনতম একটি ডেস্ক বা ফোকাল পয়েন্ট থেকে তাঁদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহযোগিতা করার ব্যবস্থা করা উচিত। স্বাভাবিকভাবেই অভিবাসী কর্মী প্রেরণে বাংলাদেশের প্রায় ৫০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এ সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ হলেও অতি মুনাফালোভী এজেন্সি ও ব্রোকারদের ফাঁদে পড়ে হাজার হাজার মানুষ প্রতারিত হচ্ছেন। মিথ্যা কাজের প্রতিশ্রুতি, অসংগতিপূর্ণ ভিসা, দক্ষতার মিথ্যা সনদ, বাস্তবতা যাচাই না করে বিদেশে গিয়ে সর্বস্বান্ত হওয়াসহ জীবনহানি ঘটছে। ব্যক্তি ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। প্রেরণকারী রাষ্ট্র এখানে কেবল আর্থিকভাবেই ক্ষতির সম্মুখীন হয় না, রাষ্ট্রটি সম্পর্কে গন্তব্যদেশে নেতিবাচক একটি ন্যারেটিভও গড়ে ওঠে।
কতিপয় কর্মীদের জাল নথি, মিথ্যা ঘোষণা, মিথ্যা সনদ, মধ্যস্বত্বভোগী দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যকলাপ ইতিমধ্যে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। নিয়মিত মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সম্পর্কে আরও ধারণা পাওয়া যায় যে বাংলাদেশি কর্মীদের তারা খুব একটা উঁচু দৃষ্টিতে দেখে না। ফলে অনেক প্রচেষ্টা থাকার পরও বাংলাদেশ সরকার আশানুরূপ কর্মী প্রেরণ করতে পারছে না। কিন্তু সেই একই শ্রম আমদানিকারক দেশগুলোতে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশের প্রচুর শ্রমিক চাকরি পাচ্ছেন। বিশেষ করে নেপালের প্রাপ্ত রেমিট্যান্সের হারও বাংলাদেশের চেয়ে বেশি।
অন্যদিকে ভুক্তভোগী কর্মী ব্যক্তিগত, পারিবারিক, আর্থিক ও সামাজিক—সব দিক থেকেই নিঃস্ব হয়ে যান। তাঁদের অনেকের পক্ষেই ঘুরে দাঁড়ানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মীরা সাধারণত বৈধ উপায়েই বিদেশে গমন করেন, তাই তাঁদের জীবনে এ ধরনের দুঃখ-দুর্দশার দায় সরকার কিছুতেই এড়াতে পারে না বা কেবল একটি মুচলেকার ভিত্তিতে সব দায়দায়িত্ব অভিবাসী কর্মীর হতে পারে না। এটি শুধু ওই কর্মীকেই বিপদে ফেলে না, অন্যের অভিবাসনস্পৃহা ও উদ্যোগকেও নিরুৎসাহিত করে। ঋণে জর্জর হওয়ার পাশাপাশি অনেকের শারীরিক ও মানসিক আঘাত বড় বাধা হয়ে দেখা দেয়।
এ ক্ষেত্রে সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও যথাযথ সহযোগিতা প্রয়োজন। অভিবাসী কর্মীরা যেমন অর্থনীতি ও দেশের কল্যাণে অবদান রাখেন, সরকারও এই প্রত্যাগত অভিবাসী শ্রমিকদের প্রতি দায়িত্বশীল তাতে কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু অভিবাসনের প্রক্রিয়াকে নিরুৎসাহিত করে—এমন কোনো ইস্যু বিদ্যমান থাকা মোটেও কাম্য নয়। তাই প্রত্যাগত অভিবাসী পুনর্বাসন ও পুনঃসংস্থানের চেয়ে এ ধরনের জোরপূর্বক বিদেশফেরত কর্মীদের সংখ্যা কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়, সেদিকেই সরকারকে বেশি নজর দিতে হবে। যেখানে অভিবাসী কর্মীদের জীবনের ঝুঁকি রয়েছে, সেখানে রেমিট্যান্স বাড়াতে ‘ট্রায়াল অ্যান্ড এরর’ পদ্ধতি অনুসরণ করার কোনো সুযোগ নেই।
অর্থাৎ প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মী যেন তৈরি না হয়, সেদিকে অবশ্যই জোর দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে যদি কর্মী অভিবাসন হ্রাস পায়, তবু ওই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ/অনিশ্চিত কোনো চাকরিতে যোগদানের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। কেননা সঠিক পদ্ধতির অভিবাসন খুব শিগগির সম্ভাবনাময় কর্মী, গন্তব্যদেশ, গ্রহণযোগ্যতা—সব ক্ষেত্রেই অনেক বেশি আগ্রহ তৈরি করবে। ফলে রেমিট্যান্সপ্রবাহও অনেক মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে। এসব ক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি, সামাজিক ও ব্যক্তিগতভাবে এখনো অনেক উদ্যোগ ও কর্মপন্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।
যথাযথ একটি তথ্যভান্ডার তৈরি করা এখন অপরিহার্য। তথ্যভান্ডারটি ধীরে ধীরে বিস্তৃত করতে হবে, বিশেষ করে কর্মীরা কীভাবে গেছেন, কী ধরনের কাজ করেছেন, তাঁরা কী ধরনের কাজের বেশি মূল্যায়ন লক্ষ করেছেন, কাজে নির্দিষ্ট করে কী ধরনের দক্ষতার অভাব অনুভব করেছেন ইত্যাদি। একই সঙ্গে তাঁদের প্রেরণকারী এজেন্ট এবং গ্রহণকারী এজেন্ট বা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্যও সন্নিবেশ করতে হবে। এ কাজ সময়সাপেক্ষ, তবে খুব কঠিন নয়।
বাংলাদেশ বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কাজ করছে। তারা বিষয়টিকে আরও বিস্তৃত ও তথ্যবহুল করতে পারে; প্রয়োজনে অভিবাসী দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও প্রাসঙ্গিক এনজিওর সহযোগিতা নিয়েও তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। ছাড়পত্র প্রদানের আগে অনুসন্ধান ও যাচাইপ্রক্রিয়া মজবুত করতে হবে। বর্তমানে এ প্রক্রিয়া কার্যকর থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে শিথিলভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গন্তব্যদেশে তার বাস্তবতার বিষয়টি চিন্তা না করে বিদেশগামী শ্রমিকের মতামতের ওপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। অসাধু অভিবাসন ব্যবসায়ী, এজেন্সি, দালাল ও মানব পাচার চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। যথাযথ মেডিক্যাল টেস্ট ও এ বিষয়ে জালিয়াতি বন্ধ করতে হবে। অভিবাসী কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্য সুরক্ষাবিষয়ক কনভেনশন-১৯৯০ অনুযায়ী অভিবাসী কর্মীকে দেশে ফেরত পাঠানোর আগে ‘জোরপূর্বক বিপদে পাঠানো’, অর্থাৎ নন-রিফাউলমেন্টবিষয়ক নীতির লঙ্ঘন হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ে গন্তব্যদেশ ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে ঘটনাভিত্তিক (কেস বাই কেস) আলোচনা নিশ্চিত করা উচিত।
প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মীদের জন্য রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকার নিকবর্তী স্থানে বিশেষ আবাসিক প্রকল্প নেওয়া যেতে পারে। পুনরেকত্রীকরণ ও দ্রুত কাজে যোগদানের লক্ষ্যে ইন্দোনেশিয়ায় কর্মক্ষম ফেরত অভিবাসীদের ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। অভিবাসনপ্রক্রিয়া সঠিকভাবে মনিটর ও পরিচালনা করতে না পারলে ভবিষ্যতে কেবল পুনরেকত্রীকরণের জন্য পৃথক দপ্তর চালু করাও প্রয়োজন হতে পারে, যেমনটি ফিলিপাইনে রয়েছে।
প্রত্যাগত অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে মানসিক স্বাস্থ্যের কাউন্সেলিং ও বিমাসুবিধা থাকা উচিত। প্রয়োজনে জেলাভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী দল গঠন করে সে সেবা দিতে হবে। ক্ষেত্রবিশেষে জরুরি ভিত্তিতে সরকারি উদ্যোগে বেসরকারি শিল্পকারখানায় তাঁদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে এবং প্রয়োজনে ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা আগ্রহী থাকলে তাঁদের জন্য পড়াশোনার ব্যবস্থা করা।
বর্তমানে সরকার নতুন নতুন গন্তব্যদেশ সন্ধানে ব্যাপক জোর দিয়েছে। তবে ইতিমধ্যে পুরোনো গন্তব্যেও প্রযুক্তির উৎকর্ষের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পেশার বৈচিত্র্য নিয়ে আসতে হবে। এআইয়ের যুগে বাংলাদেশে অভিবাসীরা যে কাজগুলো করে থাকেন, সেগুলোর চাহিদা খুব একটা হয়তো হ্রাস পাবে না। এর সঙ্গে যদি স্বাস্থ্যসেবার বৃহৎ ও অপরিহার্য সেক্টরটিতে নিয়োজিত হতে পারেন, তবে বাংলাদেশের কর্মীদের কর্মসংস্থান বিপুলভাবে বৃদ্ধি পাবে।
উন্নত দেশগুলো একই সঙ্গে যেমন এজিং (প্রবীণ জনসংখ্যা) নিয়ে চিন্তিত, তেমনি তাদের অনেক বেশি কেয়ারগিভারেরও প্রয়োজন দেখা দিচ্ছে। বাংলাদেশ সব সময়ই আতিথেয়তায় সারা বিশ্বে অনন্য। এ ক্ষেত্রে আরও দ্বিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে গন্তব্যদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে কাঙ্ক্ষিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মিবাহিনী তৈরি ও প্রেরণ করা যেতে পারে।
এ ক্ষেত্রে সরকারকে কিছুটা দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। বিশ্বব্যাপী নার্সের চাহিদার বিষয়টিও একইভাবে বাংলাদেশ সরকার চিন্তা করতে পারে। প্রক্রিয়াটি শুরু হলেও কেন সাড়া পাচ্ছে না, সে বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
অভিবাসী কর্মী কিন্তু যাঁরা এভাবে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাঁদেরও আইনের আওতায় আনা উচিত। আইওএমকে অভিবাসী রিসোর্স সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত করে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে কর্মপরিধি বিস্তার করা যেতে পারে। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের এ ধরনের নাগরিক পরিষেবা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় নিলেও খুব শিগগির ইউনিয়ন পরিষদগুলোই নাগরিক সেবার গুরুত্বপূর্ণ হাবে পরিণত হবে।
কেননা অনেক প্রত্যাগত অভিবাসীই জেলা শহরে বা দূরবর্তী অফিসে এ বিষয়ে যেতে আগ্রহী হন না। বিভিন্ন ধরনের ও বিভিন্ন পর্যায়ের অভিবাসনবিষয়ক দপ্তরের বিকল্প হিসেবেও এটি কাজ করতে পারে। হয়তো সংগত কারণেই অভিবাসনসংক্রান্ত সব সেবা এক ছাতার (ওয়ান–স্টপ সার্ভিস) নিচে আনা সম্ভব নয়, তাই বলে সেবাগুলো খুব বেশি বিক্ষিপ্ত করাও ঠিক নয়।
বিপর্যস্ত কর্মীদের পক্ষে দ্বারে দ্বারে ঘোরা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ে ন্যূনতম একটি ডেস্ক বা ফোকাল পয়েন্ট থেকে তাঁদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহযোগিতা করার ব্যবস্থা করা উচিত। স্বাভাবিকভাবেই অভিবাসী কর্মী প্রেরণে বাংলাদেশের প্রায় ৫০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
তাঁদের প্রয়োজনীয় সেবা দিতে গিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান জনবলও নিয়োগ করেছে, কিন্তু সেসব সেবা ও সেবা গ্রহণের পদ্ধতি সম্পর্কে অনেকেই অবগত নন। মুঠোফোন ও মূলধারার গণমাধ্যম এ ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিপুল জনগোষ্ঠীকে সম্ভাবনার পর্যায়ে রাখতে সঠিক অভিবাসনের চেয়ে বিকল্প বাংলাদেশের কাছে কিছু নেই।
ড. সুদীপ রায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক এবং শরণার্থী ও অভিবাসন বিষয়ের গবেষক বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
মতামত লেখকের নিজস্ব