বাংলাদেশে চাঁদাবাজি নিয়ে কথা উঠলে সাধারণত একটি দৃশ্যই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে—কোনো প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার ছত্রচ্ছায়ায় লোকাল পাতিনেতা বা সংঘবদ্ধ মাস্তান চক্র বেআইনিভাবে সাধারণ ব্যবসায়ী, দোকানদার ও হকারদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করছে। আর চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁদের জীবন-জীবিকার ওপর হুমকি নেমে আসছে।
এই বাস্তবতা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু সমস্যাটা শুরু হয় তখনই, যখন এই দৃশ্য দিয়েই আমরা পুরো চিত্রটা বোঝার চেষ্টা করি। তখন আমাদের অজান্তেই মনে হয়—চাঁদাবাজি ঘটছে কেবল কিছু ‘খারাপ মানুষ’ ক্ষমতাশালী হয়ে উঠেছে বলে। আর সেই ‘খারাপ মানুষের জায়গায়’ কিছু ‘ভালো মানুষ’ বসিয়ে দিলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
কিন্তু বাস্তবতা এত সরল নয়। চাঁদাবাজি কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়, কিংবা শুধু ক্ষমতাধর মানুষের নৈতিক ব্যর্থতার ফলও নয়। এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা, দলীয় রাজনীতি, আমলাতন্ত্র এবং বিশাল অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির ভেতরে গেঁথে থাকা একটি দুষ্টচক্র।
এই দুষ্টচক্রে চাঁদাবাজি শুধু বেআইনিভাবে পেশিশক্তির জোরে কিছু ক্ষমতাশালী ব্যক্তির কাজ নয়। বাস্তবে চাঁদাবাজির একটি বড় অংশ ঘটে আইনের দোহাই দিয়ে—আইনের রক্ষক ও প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতেই। ফলে এই দুষ্টচক্র কীভাবে কাজ করে তা না বুঝে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে, কিংবা একপক্ষীয়ভাবে রাজনৈতিক দল বা নেতাদের টার্গেট করলে সমস্যার সমাধান হয় না। বরং অনেক ক্ষেত্রে চাঁদাবাজি আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসে, ভিন্ন রূপে।
বাংলাদেশে চাঁদাবাজিকে প্রায়ই অর্থনীতির প্রধান সমস্যা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়—যেন চাঁদাবাজি থাকায় ব্যবসা বাড়ছে না, কর্মসংস্থান হচ্ছে না, রাষ্ট্র কাজ করছে না। কিন্তু বাস্তবে চাঁদাবাজি জন্মায় ঠিক উল্টো পরিস্থিতিতে। যখন অর্থনীতি নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে না; রাষ্ট্র যখন নিয়ম বানালেও তা দরিদ্র ও বেকার জনগোষ্ঠীর বাস্তব সমস্যার সঙ্গে খাপ খায় না; যখন আইনের প্রয়োগ বেছে বেছে হয়; আর যখন রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এত ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে যে অঘোষিত অর্থ ছাড়া দল চালানো কঠিন—ঠিক তখনই চাঁদাবাজির জন্ম হয়।
এই অর্থে চাঁদাবাজি কোনো রোগ নয়; এটি রোগের লক্ষণ বা উপসর্গ। তাই উপসর্গ দূর করে রোগ সারানোর চেষ্টা করলে মূল সমস্যা দূর হয় না। বরং একই রোগ ভিন্ন রূপে, কিংবা আরও তীব্রভাবে ফিরে আসে। কারণ, রাষ্ট্র বা আমলাতন্ত্র যখন অপেক্ষাকৃত ক্ষমতাহীন নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়, কিংবা নিয়মতান্ত্রিক অর্থনীতি তাদের জন্য পর্যাপ্ত জীবিকার সুযোগ তৈরি করতে পারে না, তখন একটি অনানুষ্ঠানিক ও চাঁদানির্ভর বিকল্প শৃঙ্খলাব্যবস্থার জন্ম হয়।
এই ব্যবস্থা নিঃসন্দেহে শোষণমূলক ও বেআইনি। কিন্তু একই সঙ্গে এটি একধরনের বিকৃত শাসনব্যবস্থা তৈরি করে, যা কিছু মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ ও ন্যূনতম শৃঙ্খলা বজায় রাখে। মনে রাখা দরকার—এই ব্যবস্থা শুধু চাঁদাবাজদের জীবিকার উৎস নয়; বহু দরিদ্র ও অপেক্ষাকৃত ক্ষমতাহীন মানুষও এই অনানুষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্য দিয়েই টিকে থাকে। এই বাস্তবতা বুঝতে বাংলাদেশের অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি—যা দেশের মোট জিডিপির বড় একটি অংশ জোগান দেয়—কীভাবে কাজ করে, তা বোঝা জরুরি।
বাংলাদেশের শহুরে অর্থনীতির একটি বড় অংশ চলে রাষ্ট্রীয় নিয়মকানুনের বাইরে, অর্থাৎ ইনফরমাল বা অনানুষ্ঠানিকভাবে। ফুটপাতের হকার, সরকারি জায়গায় ছোট দোকান, লাইসেন্সবিহীন অটোরিকশা চালক, নানা ধরনের অস্থায়ী ব্যবসা—এই কাজগুলোর বেশির ভাগই সমাজের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করে, যদিও আইনের চোখে এগুলোর অনেকটাই বেআইনি। বাস্তবতা হলো, লাখ লাখ মানুষ এই কাজগুলোর ওপর নির্ভর করেই জীবিকা নির্বাহ করে।
প্রশ্ন হলো—রাষ্ট্রের চোখে বেআইনি এই অর্থনীতি আইন ও রাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে কীভাবে টিকে থাকে? এর উত্তর অস্বস্তিকর। ইনফরমাল অর্থনীতিতে একটি অলিখিত বণ্টনব্যবস্থা কাজ করে। কে ফুটপাতে বসবে, কে বসবে না; কোন স্ট্যান্ডে কার গাড়ি চলবে; কোন এলাকায় কোন দোকান থাকবে—এই সিদ্ধান্তগুলো আইন দিয়ে নয়, বরং বহুস্তরীয় সমঝোতার মাধ্যমে ঠিক হয়। এই সমঝোতার বিভিন্ন স্তরে লোকাল মাস্তান, দলীয় কর্মী, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা থাকে। আর এই পুরো ব্যবস্থার কেন্দ্রেই থাকে চাঁদা।
চাঁদা এখানে শুধু টাকা আদায় নয়; এটি কার্যত কাজ করার অনুমতি পাওয়ার একটি অঘোষিত মূল্য। নিয়মিত এই মূল্য দিতে পারলে একজন অপেক্ষাকৃত ক্ষমতাহীন মানুষ এমন কাজ বা ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারে, যা আইনের চোখে বেআইনি হলেও তার টিকে থাকার জন্য জরুরি। চাঁদার মধ্য দিয়ে তৈরি হওয়া ইকোসিস্টেমের মধ্যে দিয়ে রাষ্ট্র তার আইনকানুনের কঠোর প্রয়োগ শিথিল করে, আর দরিদ্র ও বেকার মানুষ সীমিত হলেও জীবিকার সুযোগ পায়।
এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট রাখা দরকার। চাঁদা নিঃসন্দেহে অনৈতিক ও বেআইনি। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও সত্য যে রাষ্ট্রের বহু নিয়মকানুন সাধারণ মানুষের বাস্তব জীবন ও জীবিকার কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়নি। ফলে সাধারণ মানুষ রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহায়তায় এসব নিয়ম পাশ কাটিয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে। অনেক ক্ষেত্রে চাঁদা দেওয়া সেই চেষ্টারই একটি উপায়।
এই কারণে চাঁদাবাজি সব সময় একপক্ষীয় জোর-জবরদস্তির বিষয় নয়; অনেক ক্ষেত্রেই নেওয়া-দেওয়ার মধ্যে একটি অলিখিত বোঝাপড়া থাকে। সুতরাং যত দিন রাষ্ট্রের নিয়মকানুন ও সম্পদে দরিদ্র ও সাধারণ মানুষের স্বার্থ সুরক্ষিত না হবে, তত দিন চাঁদাবাজি সমস্যার স্থায়ী সমাধান বেশ কঠিন।
রাষ্ট্র ও অর্থনীতির সামগ্রিক পরিবর্তন ছাড়া চাঁদাবাজি বন্ধ হলে কী হয়—একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন
ধরা যাক, আগামীকাল থেকে চাঁদাবাজি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল। রাজনৈতিক নেতা, পুলিশ বা আমলাতন্ত্র—কেউ আর চাঁদা নিচ্ছে না। কিন্তু রাষ্ট্রের নিয়মকানুন আগের মতোই রয়ে গেছে। অন্যদিকে দেশের অর্থনীতির একটি বড় অংশ এখনো অনানুষ্ঠানিক এবং রাষ্ট্রীয় আইনের বাইরে পরিচালিত হচ্ছে।
বাস্তবে ব্যবসা টিকবে কি না, তা অনেক সময় নির্ভর করে আপনি আমলাতন্ত্র ও প্রশাসনকে সামলাতে পারছেন কি না তার ওপর। এই বাস্তবতার কারণেই অনেক ব্যবসায়ী রাজনৈতিক চাঁদাবাজিকে ‘সবচেয়ে খারাপ অপশন’ নয়, বরং ‘সবচেয়ে সস্তা প্রতিরক্ষা’ হিসেবে দেখেন। কারণ, রাজনৈতিক চাঁদা অনেক সময় আমলাতান্ত্রিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করে। এটি কোনো আদর্শ অবস্থা নয়—কিন্তু বাস্তবতা।
এই অবস্থার অনিবার্য পরিণতি হবে অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির ওপর রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ বৃদ্ধি। কারণ, এত দিন চাঁদানির্ভর ব্যবস্থার মধ্য দিয়েই রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহল প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতা রেখে আইনের প্রয়োগ শিথিল করত। চাঁদা বন্ধ হলে সেই সমঝোতা ভেঙে যাবে, এবং প্রশাসন বেআইনি কর্মকাণ্ডের অজুহাতে কঠোর আইন প্রয়োগ শুরু করবে।
এর সরাসরি প্রভাব পড়বে ফুটপাতে বসা হকার, রিকশাচালক এবং নানা ধরনের অস্থায়ী ব্যবসার ওপর। এসব কাজ বন্ধ বা ব্যাহত হবে। অর্থাৎ দুর্নীতিবিরোধী অভিযান সহজেই পরিণত হবে ইনফরমাল অর্থনীতিবিরোধী অভিযানে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ছোট ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষ। কর্মসংস্থান সংকুচিত হবে, শহরে অস্থিরতা বাড়বে।
এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশে নতুন নয়। ‘আইনের শাসন’ বা দুর্নীতি দমনের নামে অতীতেও এমন বহু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত দমনমূলক হয়েই থেকেছে।
আমরা সাধারণত চাঁদাবাজি বলতে বুঝি আইনের বাইরে থেকে প্রভাবশালীদের পেশিশক্তি দিয়ে টাকা আদায়। এই ধারণা আংশিক সত্য হলেও সম্পূর্ণ নয়। বাস্তবে সবচেয়ে ভয়ংকর চাঁদাবাজির বড় অংশই ঘটে আইনের দোহাই দিয়ে।
বাংলাদেশে যাঁরা ব্যবসা করেছেন, তাঁরা জানেন—নিয়ম মেনে ব্যবসা করা কতটা কঠিন। লাইসেন্স, অনুমোদন, মাননিয়ন্ত্রণসহ অসংখ্য টেকনিক্যাল শর্ত পূরণ করতে হয়। এই শর্তগুলো পূরণ করতেও রয়েছে দীর্ঘসূত্রতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ধীর গতি। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই নিয়মতান্ত্রিকভাবে ব্যবসা করতেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ দিতে হয়।
অর্থাৎ আপনি অনিয়ম ছাড়াই ব্যবসা করতে চান—এটাই সহজ কাজ নয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, একজন ব্যবসায়ী যতই আইন মানার চেষ্টা করুক, রাষ্ট্র যদি তার কাছ থেকে টাকা তুলতে চায়, আইনের ভেতরেই তার পথ বের করা কঠিন নয়। ফলে জরিমানা, মামলা বা সিলগালার মতো কাগজে-কলমে বৈধ ব্যবস্থার যথেচ্ছ ব্যবহারের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা থাকে না।
ফলে বাস্তবে ব্যবসা টিকবে কি না, তা অনেক সময় নির্ভর করে আপনি আমলাতন্ত্র ও প্রশাসনকে সামলাতে পারছেন কি না তার ওপর। এই বাস্তবতার কারণেই অনেক ব্যবসায়ী রাজনৈতিক চাঁদাবাজিকে ‘সবচেয়ে খারাপ অপশন’ নয়, বরং ‘সবচেয়ে সস্তা প্রতিরক্ষা’ হিসেবে দেখেন। কারণ, রাজনৈতিক চাঁদা অনেক সময় আমলাতান্ত্রিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করে। এটি কোনো আদর্শ অবস্থা নয়—কিন্তু বাস্তবতা।
অনেক রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এলে চাঁদাবাজি দূর করার প্রতিশ্রুতি দেয়। সমস্যা হলো—তাদের বেশির ভাগই চাঁদাবাজিকে নৈতিক ব্যর্থতা হিসেবে দেখে, কাঠামোগত সমস্যা হিসেবে নয়।
‘আমরা সৎ, তাই চাঁদাবাজি হবে না’—এই যুক্তি কোথাও কাজ করে না। কারণ, ক্ষমতায় গেলে সবাই একই রাষ্ট্রযন্ত্র পায়—একই পুলিশ, একই আমলাতন্ত্র, একই আইন। এই যন্ত্রের ভেতরের প্রণোদনা কাঠামো না বদলালে ব্যক্তি বদলালেও ফল বদলায় না। চাঁদাবাজি কমাতে হলে পুরো ইকোসিস্টেমে পরিবর্তন আনতে হবে।
প্রথমত, রাষ্ট্রীয় নিয়মকানুনকে বাস্তবসম্মত করতে হবে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে হবে এবং আইন এমন হতে হবে, যা সাধারণ মানুষ বাস্তবে মানতে পারে। নিয়ম যত জটিল হবে, তার প্রয়োগ তত বেশি বেছে বেছে হবে।
দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলের অর্থায়নের জন্য স্বচ্ছ ও বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা দরকার। যত দিন রাজনীতি চালাতে বিপুল অঘোষিত অর্থ লাগে, তত দিন চাঁদাবাজি থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন।
তৃতীয়ত, কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে এবং অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিকে শত্রু হিসেবে দেখা বন্ধ করতে হবে। মানুষ যখন নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জীবিকার সুযোগ পায় না, তখন বাধ্য হয়ে অনানুষ্ঠানিক ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে। তাই ইনফরমাল অর্থনীতিকে ধ্বংস না করে ধাপে ধাপে সহায়তা দিতে হবে এবং ধীরে ধীরে আনুষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে।
শেষ পর্যন্ত চাঁদাবাজি দূর করার প্রশ্নটি রাষ্ট্র, রাজনীতি ও অর্থনীতির রূপান্তরের সঙ্গে জড়িত। এখানে শুধু ভালো ইচ্ছা যথেষ্ট নয়। এই রূপান্তরের ইচ্ছা এবং তার মূল্য দিতে প্রস্তুত না থাকলে, চাঁদাবাজিবিরোধী স্লোগান কেবল স্লোগানই থেকে যাবে।
আহমাদ শাব্বীর পিএইচডি গবেষক, ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটি, কানাডা
ই–মেইল: asabbir32@gmail.com
*মতামত লেখকের নিজস্ব