স্থবির হয়ে আছে গাবতলী বাস টার্মিনাল। দূরপাল্লার যান চলাচল না করার কারণে যাত্রী ও শ্রমিক তেমন নেই বললেই চলে
স্থবির হয়ে আছে গাবতলী বাস টার্মিনাল। দূরপাল্লার যান চলাচল না করার কারণে যাত্রী ও শ্রমিক তেমন নেই বললেই চলে

লকডাউনে গাবতলী বাস টার্মিনাল

লকডাউনে বন্ধ দূরপাল্লার গণপরিবহন। অনুপস্থিত যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকদের ভিড়ের চিরচেনা দৃশ্য। যেন স্থবির হয়ে আছে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকা। রাজধানীর বাইরে গন্তব্যের উদ্দেশে কেউ কেউ এলেও ফিরে যান ব্যর্থ মনোরথে। জীবিকার আশায় টার্মিনালের দু–একজন দোকান খুললেও তাঁকে ক্রেতার পথ চেয়ে অপেক্ষা করে থাকতে হয়। বাসের মধ্যেই আবার বসবাস করছেন পরিবহনশ্রমিকদের কেউ কেউ।

স্থবির হয়ে আছে গাবতলী বাস টার্মিনাল। দূরপাল্লার যান চলাচল না করার কারণে যাত্রী ও শ্রমিক তেমন নেই বললেই চলে
বন্ধ বাস কাউন্টার
গরমের মধ্যে টার্মিনালে ঘুমাচ্ছেন একজন
দূরপাল্লার যান চলাচল না করার কারণে অনেককেই দেখা যায় বেকার সময় কাটাতে
পায়ের গোড়ালি ছুটে যাওয়ায় পঙ্গু হাসপাতালে ২ বছর ৮ মাসের রোজামণিকে নিয়ে এসেছিলেন মা নাইমা বেগম। যানবাহন না পেয়ে চিকিৎসা শেষে পঙ্গু হাসপাতাল থেকে সাভারের উদ্দেশে হেঁটে রওনা দেন তিনি। মাঝখানে গাবতলী টার্মিনালে বসে কিছুক্ষণের জন্য জিরিয়ে নিচ্ছেন তিনি
লকডাউনে দূরপাল্লার যান চলাচল না করার কারণে চলছে মেরামত
সাধারণ সময়ে গাবতলী টার্মিনালের ভেতর অবস্থিত রমজান আলীর এই হোটেলে প্রতিদিন খাবার বিক্রি হতো ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার, কিন্তু লকডাউনের কারণে তা নেমে এসেছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে
আশরাফুল শেখ কাজ করেন বাসচালকের সহকারী হিসেবে। লকডাউনের আগে কুষ্টিয়া থেকে তার কাছে বেড়াতে এসেছিল ১৩ বছরের সন্তান মোহাম্মদ আপন। কিন্তু চলাচলের বিধিনিষেধ ঘোষণার পর বাড়ি ফিরে যেতে পারেনি আপন। বাবার সঙ্গেই থাকে সে বাসের ভেতর
দূরপাল্লার যান চলাচল না করার কারণে যাত্রীসহ যানবাহনের শ্রমিক তেমন নেই বললেই চলে। গোসল শেষে পিকআপের দরজায় কাপড় শুকাতে দিয়েছেন এক চালক
গরমের মধ্যে টার্মিনালে পার্ক করে রাখা একটি বাসের নিচে ঘুমাচ্ছেন শ্রমিক