সবজির আড়তে শ্রমিকের ব্যস্ততা

কাকডাকা ভোর থেকেই ব্যস্ততা শুরু হয় সিলেটের সবজির আড়তে। একের পর এক ট্রাক এসে থামতেই সবজির বস্তা নামিয়ে আড়তে সাজিয়ে রাখতে শুরু করেন শ্রমিকেরা। বস্তার ওজন অনুযায়ী পান পারিশ্রমিক। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভারী বস্তা কখনো কাঁধে, কখনো মাথায় বয়ে নিয়ে চলে তাঁদের নিরন্তর কাজ। এই আড়তে সবজি খালাসের কাজে যুক্ত আছেন দেড় শতাধিক শ্রমিক। দিনভর হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে একজন শ্রমিক ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা আয় করেন। সেই আয়েই কোনোমতে চলে সংসারের চাকা।  

দূরদূরান্ত থেকে আড়তে পৌঁছানো ট্রাক থেকে দ্রুত সবজির ভারী বস্তা নামাচ্ছেন শ্রমিকেরা
দূরদূরান্ত থেকে আড়তে পৌঁছানো ট্রাক থেকে দ্রুত সবজির ভারী বস্তা নামাচ্ছেন শ্রমিকেরা
ট্রাক থেকে বস্তা নামানোর কাজ চলছে। দ্রুত পায়ে ট্রাকে উঠছেন এক শ্রমিক
আড়তের এই ব্যস্ততায় এক মুহূর্তের জন্যও কারও ফুরসত নেই
ভারী বস্তা বইছেন একজন শ্রমিক
ভারী বস্তা আঁকড়ে ধরে তোলা ও নামানোর একমাত্র ভরসা লোহার এই হুক। এটি শ্রমিকের হাতের নিত্যদিনের বিশ্বস্ত হাতিয়ার
ভারী বস্তার সরাসরি ঘর্ষণ ও আঘাত থেকে মাথা বাঁচাতে শ্রমিকদের অন্যতম সুরক্ষা কাপড়ের তৈরি এই বিশেষ টুপি বা বিড়ে
একটি বস্তা নামিয়েই আরেকটির জন্য প্রস্তুতি নিতে হয়
একটানা ভারী বোঝা বহনের পর একটু জিরিয়ে নেওয়া
দাঁড়িয়ে থেকে শ্রমিকদের কাজের হিসাব রাখছেন এবং পুরো কাজের তদারক করছেন এক আড়তদার
সারা রাত দূরপাল্লার সড়ক পাড়ি দিয়ে আসা ক্লান্ত চালক। শ্রমিকেরা যখন ট্রাক থেকে সবজি খালাস করছেন, সেই ফাঁকে গাড়িতেই একটু ঘুমিয়ে নিচ্ছেন তিনি