মনোহরণকারী হীরামন টিয়া

বাংলাদেশে সাত প্রজাতির টিয়া পাখি রয়েছে। এর মধ্যে লালমাথা বা আলুবোখারা মাথার টিয়ার নাম হীরামন টিয়া (প্লাম-হেডেড প্যারাকিট)। এলাকাভেদে এরা তাল কেশ টিয়া, পুষ্প কেশ টিয়া, আলুবোখারা-মাথা পাখি নামেও পরিচিত। খাবারের সন্ধানে ঘাসের দানা বা বীজ জাতীয় শস্যের জমিতে এরা দল বেঁধে নামে। তবে এরা খুবই লাজুক। মানুষের উপস্থিতি টের পেলেই একসঙ্গে সব উড়ে দূরে চলে যায়। নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার মহদীপুর এলাকায় দেখা হীরামন টিয়ার নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে এই ছবির গল্প।

উঁচু বাঁশের আগায় বসা স্ত্রী হীরামন টিয়া যেন মিশে গেছে পাতার সঙ্গে।
উঁচু বাঁশের আগায় বসা স্ত্রী হীরামন টিয়া যেন মিশে গেছে পাতার সঙ্গে।
মনোহরণকারী রূপ হলেও স্ত্রী পাখির তুলনায় পুরুষ পাখি দেখতে বেশি সুন্দর এদের গোলাপি বর্ণের মাথার কারণে।
নিরাপদ বোধ করলেই পাখিরা নেমে আসে দানা খেতে।
একে একে নামছে পাখিরা।
স্ত্রী পাখির পাশে উড়ে এসে বসছে পুরুষ পাখি।
নানা ভঙ্গিমায় ঘাসের ডগায় বসে তারা।
ওপর থেকে ঝুলে ঝুলে শস্য দানা খাচ্ছে এক পাখি।
হঠাৎ শস্য গাছের ডগা কেটে মুখে নিয়ে উড়াল দিল একটি।
দূরে ডালে গিয়ে বসল পাখিটি।
এবার মগডালে নিরাপদে বসে খাবার খাচ্ছে পাখিটি।
ডানা মেলে দিয়ে খাবার খাচ্ছে টিয়া।
ঘাসের ডগায় যেন এক রঙিন ফুল ফুটে আছে।
ডালে ডালে পুরুষ ও স্ত্রী পাখি।
যেন ঘাড় ঘুরিয়ে নিজেকে দেখছে পাখিটি।
খেতে খেতে উড়াল দিল সে।
খাবার নিয়ে উড়ে চলা।
ভয় পেলে জমি থেকে উড়ে অনেক ওপরে উঠে যায় পাখিরা।
কোনো কোনোটি খাবার না নিয়েই ফিরে যায়।
কেউ আবার ভারী খাবার মুখে নিয়ে উড়াল দেয়।
সকালে ও গোধূলি বেলায় দেখা যায় পাখিদের এই ছোটাছুটি।