যে বাজারে শাক কিনতে হয় টুকরি ধরে

ভোরের আলো ফুটতেই বগুড়া মহানগরের উদ্দিরগোলা এলাকায় জেগে ওঠে এক ব্যতিক্রমী শাকের বাজার। মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার এই বাজারে আশপাশের গ্রামের কৃষকেরা খেত থেকে তুলে টাটকা নানান জাতের শাক নিয়ে আসেন। এখানে শাক বিক্রি হয় প্রচলিত ওজনের হিসাবে নয়, বরং টুকরি বা ভার চুক্তিতে। পাইকারেরা টুকরি ভরে শাক কিনে বাজারসংলগ্ন পুকুরে ধুয়ে ভ্যানে তুলে শহরের বিভিন্ন খুচরা বাজারে নিয়ে যান। কৃষকের মাঠ থেকে নগরের ভোক্তার রান্নাঘর পর্যন্ত শাকের এই সংক্ষিপ্ত যাত্রাপথই তুলে ধরেছে ছবির গল্প।

ভোরের বাজারে বিক্রির জন্য সাইকেলে করে টাটকা শাক নিয়ে আসছেন এক কৃষক।
ভোরের বাজারে বিক্রির জন্য সাইকেলে করে টাটকা শাক নিয়ে আসছেন এক কৃষক।
আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে ডালা ভরে আনা হয়েছে নানান জাতের শাক। দিনের আলো ফুটতেই জমে উঠেছে বাজার।
টুকরি চুক্তিতে বিক্রির জন্য লালশাক, পুঁইশাক নিয়ে বসে আছেন কৃষক।
শাক কেনার পর ভ্যানে তুলে নিচ্ছেন এক পাইকার। এগুলো যাবে শহরের বিভিন্ন খুচরা বাজারে।
শাকের পাশাপাশি এই বাজারে বেচাকেনা হয় বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি সবজি।
খুচরা বাজারে নেওয়ার আগে পুকুরের পানিতে ধুয়ে পরিষ্কার করা হচ্ছে সদ্য কেনা শাক।
বাজারসংলগ্ন পুকুরে ধোয়া হচ্ছে লাউশাক। এরপরই তা বিক্রির জন্য নেওয়া হবে শহরের বাজারে।
ধোয়া শেষ করে খুচরা বিক্রির জন্য ভ্যানে তুলে রাখা হচ্ছে লাউশাক।
শহরের বিভিন্ন বাজারে বিক্রির জন্য ধোয়া শাক গুছিয়ে ভ্যানে তোলার প্রস্তুতি চলছে।